রবিবার , ১১ অক্টোবর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

কোনো মেয়ের স্বপ্ন অর্থের অভাবে থেমে থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ১১, ২০২৬ ৭:১৩ অপরাহ্ণ

Spread the love

কন্যাশিশুর শিক্ষা, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সরকার সুস্পষ্ট নীতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, নিরাপত্তাহীনতা কিংবা বৈষম্যের কারণে কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন থেমে না যায়, তা নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

জাতীয় কন্যাশিশু দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রোববার (১১ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল সোমবার দিবসটি পালিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য—‘শিশু বিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’।

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, প্রতিটি কন্যাশিশু যেন শিক্ষা, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসে সমৃদ্ধ হয়ে নিজের সম্ভাবনা বিকাশের সমান সুযোগ পায়, সেটিই বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার। প্রতিটি মেয়ের নিরাপদে বেড়ে ওঠা এবং স্বাধীনভাবে নিজের স্বপ্ন ও সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

তিনি বলেন, আজকের কন্যাশিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নির্মাতা। তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও স্বপ্ন বিকাশের সুযোগ দেওয়া গেলে তারা জ্ঞানভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় কন্যাশিশু দিবসে প্রতিটি শিশুর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় নতুন করে অঙ্গীকার করতে হবে। বাল্যবিবাহ ও সব ধরনের বৈষম্যের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। কন্যাশিশুর স্বাধীন ও নিরাপদে বেড়ে ওঠার জন্য শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলা জরুরি।

নারীশিক্ষার প্রসঙ্গে তারেক রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়া নারীদের দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। একই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নারীদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ সম্প্রসারণ করেছে বলে তিনি জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে একটি মেয়ের জন্ম পরিবারের জন্য আশীর্বাদ হবে এবং কোনো কারণে তার লেখাপড়া বন্ধ হবে না। প্রতিটি মেয়ে যেন নিজের পছন্দ ও সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের সঙ্গে কন্যাশিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠার সম্পর্ক তুলে ধরে তিনি বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার উদ্যোগ হিসেবে প্রতিটি পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হচ্ছে। কন্যাশিশু ও নারীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং সামাজিক সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের কাজও শুরু হয়েছে।

তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ কন্যাশিশুর শিক্ষা, দক্ষতা ও আত্মনির্ভরতার পথ সুগম করবে। তিনি বলেন, বাস্তব ও ডিজিটাল—উভয় পরিসরে কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

কন্যাশিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে সরকার, সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বিশেষ করে পরিবারের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

বাণীর শেষাংশে তিনি বলেন, কন্যাশিশুর স্বপ্নকে শক্তিতে, শিক্ষাকে সক্ষমতায় এবং সম্ভাবনাকে সাফল্যে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়েই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। এ সময় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে দেশের সব কন্যাশিশু, তাদের অভিভাবক ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।

সর্বশেষ - অপরাধ