অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে অপরাধী হিসেবেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, অপরাধী, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং তা আরও জোরদার করা হবে।
রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল ও চাঁদাবাজির ঘটনায় ৩৮ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না। রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক, অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার মধ্যরাতে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সরকারের দায় আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো ঘটনায় সরকার বা পুলিশের দায় তখনই আসে, যখন তারা ব্যবস্থা নেয় না কিংবা পুলিশ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়। তাঁর দাবি, ওই ঘটনায় সরকার বা পুলিশের কোনো ব্যর্থতা ছিল না।
মিরপুরের ওই ঘটনায় একজন সংসদ সদস্যের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্তে কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘটনায় পুলিশের একজন কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলা পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য, ওই কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কোনো অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে, তবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সেটিকে বিবেচনায় নেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে চলমান গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা আরও জোরদার করা হবে।


















