বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো। আজ সোমবার (২০ জুলাই, ২০২৬) অনুষ্ঠিত এই দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে ডেমোক্রেটিক প্রক্রিয়ায় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান আইএলও প্রধান। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা ও শুভকামনা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। পাশাপাশি, সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় বর্তমান সরকারের বিশ্বমঞ্চে কূটনৈতিক সক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করেন হোংবো।
বৈঠককালে শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা বিধান, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং পরিবর্তিত বৈশ্বিক শ্রমবাজারের চাহিদা মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার কৌশল নিয়ে গভীর আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইএলওর ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সরকার শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণ, শোভন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। একই সাথে বৈঠকে তৈরি পোশাক খাতের অভূতপূর্ব অগ্রগতি, অনানুষ্ঠানিক খাতের উন্নয়ন এবং বিদেশে কর্মরত অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
আইএলও মহাপরিচালক নিশ্চিত করেন যে, শ্রম খাতে সরকারের চলমান সংস্কার এবং বিশ্বমানের আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে বাংলাদেশের ইতিবাচক পদক্ষেপগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অত্যন্ত প্রশংসিত হচ্ছে। এই বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, শ্রম সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (জাতিসংঘ) মো. কামরুজ্জামান, বাংলাদেশে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স তুনোঁ এবং আইএলও সদর দফতরে কর্মরত জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিতোমি নাকাগোমে উপস্থিত ছিলেন।


















