বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক আন্দোলন সম্পূর্ণভাবে এ দেশের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত গণসংগ্রাম ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, এ দেশের আপামর জনগণ তাদের অধিকার রক্ষা ও শাসনব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই বিপ্লব চূড়ান্ত সফলতায় রূপ নিয়েছে। যখনই গণমানুষ এ আন্দোলনে পুরোপুরি সম্পৃক্ত হয়েছে, তখনই রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এই গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়িস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনিবার সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, জুলাই আন্দোলনের সর্বাত্মক সাফল্যের সবটুকু কৃতিত্ব বাংলাদেশের মেহনতী ও সর্বস্তরের জনগণের; এর কৃতিত্ব একক কোনো ব্যক্তিবর্গ বা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের একচ্ছত্র দাবি হতে পারে না। বিগত ১৭ বছর ধরে দীর্ঘ স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দেশের সাধারণ মানুষ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র অগণিত নেতাকর্মী এবং গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দলগুলো লাগাতার রাজপথে সংগ্রাম চালিয়ে গেছে। কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেই নেতাকর্মী ও জনগণকে একা ফেলে কেউ মাঠ ছেড়ে পালিয়ে যায়নি। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর এখন সময় এসেছে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিতর্ক ভুলে দেশ পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করার। দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


















