যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে চাহিদাভিত্তিক ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার বলে ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান. একটি উৎপাদনশীল, আত্মনির্ভরশীল, বৈষম্যহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকার দক্ষতা উন্নয়নকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে. আগামীকাল ১৫ জুলাই ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার এক বিশেষ বিবৃতিতে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন. প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন এবং উদীয়মান প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ কর্মক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা তৈরি করছে. এই পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনীতি ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কর্মপরিবেশের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের দক্ষতা উন্নয়ন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, শিল্পমুখী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ.
বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের তরুণদের উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তরের যে সুদূরপ্রসারী দর্শন ও কর্মসূচির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতাকে আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী করে তুলছে. দেশের যুবসমাজকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও পেশাগত যোগ্যতা বিকশিত করা গেলে দেশের শিল্পায়ন, উৎপাদনশীলতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও ত্বরান্বিত হবে, যা বৈশ্বিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করবে. বর্তমানে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) দক্ষতার মানোন্নয়ন, অভিন্ন সনদায়ন ব্যবস্থা প্রবর্তন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন এবং সরকারি-বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে একটি সময়োপযোগী জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে কাজ করছে. প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এই যুব দক্ষতা দিবস সচেতনতা বৃদ্ধি, পুনঃদক্ষায়ন এবং দক্ষতার নবায়নের সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের জাতীয় অভিযাত্রাকে আরও বেগবান করবে.


















