মঙ্গলবার , ৭ জুলাই ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

আকুর বিল পরিশোধের পর বাংলাদেশের নিট রিজার্ভ ৩১.৭২ বিলিয়ন ডলার

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ৭, ২০২৬ ৩:২১ অপরাহ্ণ

Spread the love

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মে-জুন মেয়াদের আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বিদেশি মুদ্রার নিট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলারে। আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের রিজার্ভের সর্বশেষ এই হালনাগাদ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) আন্তর্জাতিক হিসাব পদ্ধতি ‘বিপিএম৬’ (BPM6) অনুযায়ী বর্তমানে দেশের নিট রিজার্ভের পরিমাণ ৩ হাজার ১৭২ কোটি ডলার বা ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণত প্রতি দুই মাস অন্তর আকুর আমদানি বিলের দায় পরিশোধ করতে হয় এবং সদস্য দেশগুলোর এই দায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক মাস শেষে সমন্বয় করে থাকে。 এবারের বড় অংকের দায় পরিশোধের পরও রিজার্ভের এই স্থিতিকে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ সন্তোষজনক মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্ট ও আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞরা।

মোট, নিট ও খরচ করার মতো প্রকৃত রিজার্ভের সর্বশেষ খতিয়ান

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান ও তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিন শেষে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের তিনটি ভিন্ন স্তরের প্রকৃত চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:

  • মোট রিজার্ভ (Gross Reserve): এলটিএফএফ (LTFF) সমন্বয় ছাড়া বর্তমানে দেশে মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬৩৬ কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।
  • বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ: আইএমএফ-এর শর্ত ও হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী বর্তমানে নিট রিজার্ভের পরিমাণ ৩ হাজার ১৭২ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলার।
  • প্রকৃত রিজার্ভ (NIR): দেশের জরুরি প্রয়োজনে সরাসরি খরচ করার মতো প্রকৃত রিজার্ভ বা ‘নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ’ (NIR) দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৯২ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার。

রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে শক্তিশালী অবস্থান

বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চপর্যায়ের সূত্র থেকে জানা গেছে, বিশ্ববাজারের নানামুখী চাপ এবং আকুর বিল বাবদ বড় অংকের বৈদেশিক মুদ্রা চলে যাওয়ার পরও রিজার্ভের এই শক্তিশালী অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে মূলত দুটি প্রধান খাতের কল্যাণে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসীদের পাঠানো আয় বা রেমিট্যান্স (Remittance) প্রবাহ এবং জাতীয় রপ্তানি আয়ের (Export Earnings) প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। এই দুই খাতের ধারাবাহিক অগ্রগতির ফলেই আকুর দায় পরিশোধের পরও কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও শক্তিশালী রিজার্ভের ভিত্তি বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত