সোমবার , ২৯ জুন ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

আমার জীবন বাংলাদেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছি: শেখ হাসিনা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ২৯, ২০২৬ ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর দীর্ঘ দুই বছর ধরে দেশের বাইরে নির্বাসিত থাকা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন যে, সব ধরনের রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় উপেক্ষা করে তিনি চলতি বছরই (২০২৬) বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতের প্রভাবশালী গণমাধ্যম এনডিটিভি (NDTV)-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই সুদৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। শেখ হাসিনা স্পষ্ট করেছেন যে, তাঁর এই প্রত্যাবর্তন কোনো ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়, বরং এটি দেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনরুদ্ধারের লড়াই। সাক্ষাৎকারে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, বর্তমান বিএনপি সরকার, দেশের সংখ্যালঘু পরিস্থিতি এবং তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া মামলার রায় নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন। পাঠকদের জন্য বিশেষ সাক্ষাৎকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তরগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

প্রশ্ন: আপনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় রয়েছে, এ পরিস্থিতিতে চলতি বছর দেশে ফেরা কতটা বাস্তবসম্মত?

শেখ হাসিনা: আমার দেশে ফেরা ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষার কোনো বিষয় নয়। এটি বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনরুদ্ধারের সঙ্গে সম্পর্কিত। আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। আমি রাজনীতি করি বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য।

আমার বিরুদ্ধে যে রায় দেওয়া হয়েছে, তা ন্যায়বিচার নয়। এটি একটি অবৈধ, অসাংবিধানিক ও সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রক্রিয়ার অংশ। আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার জন্য বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। অতীতেও এ ধরনের চেষ্টা হয়েছে, তারা ব্যর্থ হয়েছে, এবারও ব্যর্থ হবে। আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না। ১৯৭৫ সালে আমি আমার পুরো পরিবারকে হারিয়েছি। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো অসংখ্য ষড়যন্ত্র ভেদ করে আমি বারবার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। দেশের মানুষ আমাকে ৫ বার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে। তাই সব বাধা ও ষড়যন্ত্র অতিক্রম করে আমি এ বছরই আমার দেশে ফিরব।

প্রশ্ন: বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পুনরুত্থান ও সাংগঠনিক শক্তি কতটা রয়েছে?

শেখ হাসিনা: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কোনো কাগুজে সংগঠন নয়। এটি বাংলার মাটি, মানুষ ও ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি রাজনৈতিক শক্তি। ৭৭ বছরের পথচলায় আওয়ামী লীগ বহুবার হামলার শিকার হয়েছে, নিষিদ্ধ হয়েছে, কিন্তু প্রতিবারই জনগণের শক্তিতে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন অন্য কারও ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করে না।

ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকারের পর এখন সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি সরকারের অধীনে মানুষ বাস্তব চিত্র নিজের চোখে দেখছে। দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন বা জানমালের নিরাপত্তা নেই। অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে, সংখ্যালঘুরা প্রতিনিয়ত হামলার শিকার হচ্ছে এবং উগ্রবাদ ছড়িয়ে পড়ছে। মানুষ এখন আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার সাথে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করতে পারছে। আগুনে যেমন সোনা আরও খাঁটি হয়, তেমনি শাসকের নিপীড়ন ও নির্যাতন আওয়ামী লীগকে প্রতিদিন আরও শক্তিশালী করছে। দলের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আমার বার্তা—ঐক্যবদ্ধ থাকুন এবং নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ান। জনগণের শক্তিতে আওয়ামী লীগ আবারও ঘুরে দাঁড়াবে।

প্রশ্ন: দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও হাজারো মামলার মধ্যে দলটির রাজনৈতিক পুনরুত্থান কীভাবে সম্ভব?

শেখ হাসিনা: আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পুনরুত্থান কোনো সরকারের দয়ার ওপর নির্ভর করে না, এটি জনগণের ওপর নির্ভর করে। অবৈধ নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে তারা হয়তো আওয়ামী লীগকে একটি সাজানো নির্বাচন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সাময়িকভাবে দূরে রেখেছে, কিন্তু মানুষের হৃদয় থেকে মুছে ফেলতে পারেনি। সে কারণেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্যেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন আওয়ামী লীগের সমর্থনে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিছিলে যোগ দিচ্ছেন।

বর্তমান সরকারের আচরণই প্রমাণ করে, তারা আওয়ামী লীগের শক্তিকে ভয় পায়। সে কারণেই আমাদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি ঠেকাতে দেশজুড়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ মোতায়েন করতে হয়েছে, যা তাদের নিজেদের দুর্বলতারই প্রমাণ। ইতিহাস বলে, আওয়ামী লীগ কখনো শাসকের রক্তচক্ষুকে ভয় পায়নি। বাংলাদেশে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আওয়ামী লীগের ওপর থেকে অবৈধ নিষেধাজ্ঞা ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। আর তারা যদি এই ন্যূনতম গণতান্ত্রিক পথও বন্ধ রাখে, তাহলে মানুষের জমে থাকা ক্ষোভই আওয়ামী লীগের জন্য নতুন পথ তৈরি করবে।

প্রশ্ন: ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশ ‘পাকিস্তানের মতো মডেল’ বা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে বলতে কী বুঝিয়েছেন?

শেখ হাসিনা: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সবসময়ই পরিষ্কার ছিল—‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়।’ তবে সেই সম্পর্ক অবশ্যই রাষ্ট্রের মৌলিক নীতি এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অক্ষুণ্ন রেখে হতে হবে। ৫ আগস্টের পর আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর সর্বাত্মক আক্রমণ দেখেছি। মুক্তিযোদ্ধাদের জুতার মালা পরিয়ে অপমান করা হয়েছে, সারা দেশে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুর করা হয়েছে এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে অপরাধ হিসেবে দেখানো হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও সুফি দরগা ভাঙচুর এবং সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম দুর্বল করে উগ্রবাদ বিস্তারের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। এক কথায়, বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আমরা ২০২৩ সালে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.২৫ শতাংশে এবং মাথাপিছু আয় ২,৭৯৩ ডলারে নিয়ে গিয়েছিলাম। আমরা পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে এবং বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মতো মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উন্নয়নের বৈশ্বিক রোল মডেলে পরিণত করেছিলাম। শতভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছিলাম। ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের সেই উন্নয়নের ধারা ধ্বংস করে দেশে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগই বিজয়ী হবে জেনেই পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং দেশে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রের মডেল প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।

প্রশ্ন: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও ন্যায্য বিচারের বিষয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে পর্দার আড়ালে গোপন আলোচনার গুঞ্জন কি সত্যি?

শেখ হাসিনা: জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য ষড়যন্ত্রকারীরা প্রায়ই ইচ্ছাকৃতভাবে এ ধরনের প্রচারণা চালায়। এ বিষয়ে আমার অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। বাংলাদেশের গণতন্ত্র, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধিকার, জনগণের ভোটাধিকার এবং ন্যায়বিচার—এসব কোনো গোপন দরকষাকষির বিষয় নয়; এগুলো দেশের মানুষের সাংবিধানিক অধিকার।

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা কোনো দয়া বা অনুগ্রহ নয়, এটি একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ন্যূনতম শর্ত। কোনো নাগরিক বা রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে মামলা থাকলে তা অবশ্যই স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হতে হবে। রাজনৈতিক নির্দেশনায় পরিচালিত ট্রাইব্যুনাল বা ভয়ভীতি দেখিয়ে সাজানো মামলার মাধ্যমে কখনো ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায় না। আমি সবসময় রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে, তবে সেই সমাধান হতে হবে প্রকাশ্য, নীতিনিষ্ঠ এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে; কোনো গোপন সমঝোতার ভিত্তিতে নয়।

প্রশ্ন: সম্প্রতি মন্দির ও হিন্দু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনাগুলোকে আপনি কীভাবে দেখছেন?

শেখ হাসিনা: বিষয়টি অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং গভীরভাবে উদ্বেগজনক। বাংলাদেশে যখনই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি দুর্বল হয়েছে, তখনই সাম্প্রদায়িক শক্তি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ভয়াবহ নির্যাতন নামিয়ে এনেছে। ৫ আগস্টের পর থেকে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আদিবাসী, আহমদিয়া সম্প্রদায় এবং সুফি সংশ্লিষ্ট কেউই নিরাপদ নন। মন্দির ভাঙচুর, বাড়িঘরে লুটপাট ও চাঁদাবাজি চলছে। সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে কথা বলার কারণে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস এখনও একটি মিথ্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন। এটিই প্রমাণ করে, সরকার পরিবর্তন হলেও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, সংখ্যালঘুরা কোনো ভোটব্যাংক নয়, তারা বাংলাদেশের সমমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক। যারা সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালায়, তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনার শত্রু। আজ অনেক সংখ্যালঘু পরিবার সেই ভয়ের মধ্যেই দিন কাটাচ্ছে এবং নিরাপত্তার দাবিতে তাদের রাস্তায় নামতে হচ্ছে, যা স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য লজ্জাজনক। ধর্মীয় স্বাধীনতা, সমঅধিকার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব এবং এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা শুধু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়, এটি সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতার জন্যও উদ্বেগের বিষয়।

প্রশ্ন: বর্তমানে ভারতে আপনার ব্যক্তিগত সময় কেমন কাটছে?

শেখ হাসিনা: দীর্ঘ সময় ধরেই আমার জীবনে ব্যক্তিগত বলে আলাদা কিছু নেই। আমি আমার জীবন বাংলাদেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছি। ১৯৭৫ সালে আমি সবকিছু হারিয়েছি, তারপরও আমাকে দীর্ঘ সময় নির্বাসনে থাকতে হয়েছে। আজ আবার বাংলাদেশ একটি কঠিন সময় পার করছে এবং দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে আমি সেখানে থাকতে পারছি না, এটাই আমাকে গভীরভাবে কষ্ট দেয়।

আমার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্বাভাবিক যোগাযোগ রয়েছে, কিন্তু আমার মন পড়ে আছে বাংলাদেশে। যে মাটিতে আমার বাবা শায়িত, যে দেশের মাটির সঙ্গে আমার পরিবারের রক্ত মিশে আছে, সেই দেশের মানুষের থেকে দূরে থাকা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। দূর থেকেও আমি প্রতিদিন দেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করি, আমাদের নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের খোঁজখবর নিই এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার চেষ্টা করি। আমার শক্তি বাংলাদেশের মানুষ এবং জাতির পিতার আদর্শ। আমি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই সংগ্রামের সঙ্গেই থাকব।

সর্বশেষ - অপরাধ