আইভরিকোস্টের বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দারুণ এক প্রত্যাবর্তন রূপকথা লিখলো চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি. স্ট্রাইকার ডেনিজ উনদাভের অনবদ্য জোড়া গোলের ওপর ভর করে আইভরিকোস্টকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে জার্মানরা. এই নাটকীয় জয়ের মাধ্যমে জুলিয়ান ন্যাগলসম্যানের শিষ্যরা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেছে.
প্রথমার্ধে আইভরিকোস্টের চমক ও জার্মানির হতাশা
ম্যাচের শুরু থেকেই আইভরিকোস্টের ওপর পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করে চড়াও হয়ে খেলতে থাকে জার্মানি. একের পর এক আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার মাঝে তারা একবার বল আইভরিকোস্টের জালে জড়ালেও ফাউলের কারণে রেফারি তা বাতিল করে দেন.
এরপর ম্যাচের ৩০তম মিনিটে খেলার স্রোতের বিপরীতে গিয়ে স্তব্ধ করে দেয় আইভরিকোস্ট. বক্সের ভেতর এক জটলার মধ্যে ফিরতি বলে দারুণ এক শটে লক্ষ্যভেদ করে জার্মানিকে স্তsplit করে দেন ফ্রাঙ্ক কেসি. ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর জার্মানি আবারও প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়েছিল. কাই হাভার্টজের শটটি জালে জড়ালেও তার কয়েক সেকেন্ড আগে আইভরিকোস্টের ডিফেন্ডার ইমানুয়েল আগবাদু ফাউলের শিকার হওয়ায় রেফারি এই গোলটিও বাতিল ঘোষণা করেন. ফলে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেই প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় জার্মানি.
দ্বিতীয়ার্ধে উনদাভ ম্যাজিক ও নকআউটের টিকিট
বিরতি থেকে ফিরে গোল শোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে জার্মানরা. তবে আইভরিকোস্টের জমাট ডিফেন্সের সামনে বারবার খেই হারাচ্ছিল তারা. অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটে ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে; নাদিম আমিরির একটি চমৎকার ক্রস থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জার্মানিকে ১-১ সমতায় ফেরান ডেনিজ উনদাভ.
সমতায় ফেরার পর জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয় জার্মানি. ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের (ইঞ্জুরি টাইম) ৪র্থ মিনিটে আবারও আইভরিকোস্টের রক্ষণভাগ ভেঙে গোল উৎসবে মাতেন সেই উনদাভ. শেষ মুহূর্তে তাঁর করা এই জোড়া গোলের ওপর ভর করেই ২-১ ব্যবধানের রোমাঞ্চকর জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জার্মানি. উল্লেখ্য, নিজেদের প্রথম ম্যাচে কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়া জার্মানি এই টানা দ্বিতীয় জয়ে গ্রুপ পর্বের বাধা পার করলো.



















