ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সত্য ঘটনাপ্রবাহ, নির্ভীক শহীদদের অমর আত্মত্যাগ ও আহত সংগ্রামীদের স্মৃতি চির অম্লান করে রাখতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার (৫ আগস্ট) নির্ধারিত সময় সকাল ৯টায় শুভ উদ্বোধনের মাধ্যমে এর প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিগত বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের দুর্লভ আলোকচিত্র, ঐতিহাসিক নথি এবং আন্দোলনকারীদের স্মৃতিবিজড়িত স্মারক সংকলিত করে নির্মিত এই জাদুঘরটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস সংরক্ষণে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করল।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন দেশের সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ ছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সম্মানিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর জ্যেষ্ঠ কন্যা জাইমা রহমানসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রী, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট নাগরিকগণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
উদ্বোধনের দিন অর্থাৎ ৫ আগস্ট প্রথম প্রহরে জাদুঘরের গ্যালারিগুলো সর্বসাধারণের জন্য বন্ধ রেখে কেবল বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্বজন ও আহত পরিবারের সদস্যদের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে অনলাইনের মাধ্যমে অগ্রিম টিকিট ও আবেদন সম্পন্ন করে দেশের সাধারণ দর্শনার্থী ও বিশ্ব নাগরিকরা নিয়মিতভাবে জাদুঘরটি পরিদর্শন করার সুবর্ণ সুযোগ পাবেন।


















