শুক্রবার , ১২ জুন ২০২৬ | ৪ঠা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

বেতন বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকারি খাতে দুর্নীতি হ্রাসের আশা অর্থমন্ত্রীর

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ১২, ২০২৬ ২:৪৬ অপরাহ্ণ

Spread the love

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি করা হলে দেশে দুর্নীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে গভীর আশা প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী. তিনি মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার স্বাভাবিক ব্যয় অনেক বেড়েছে, যার ফলে বিদ্যমান বেতনের সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয়ের এক ধরনের বড় সমন্বয় করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে. অর্থমন্ত্রী অকপটে স্বীকার করে বলেন যে, স্বাভাবিকভাবেই মানুষের যখন অভাব থাকে, তখন জীবন ধারণের জন্য দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়ার একটা সাধারণ প্রবণতা তৈরি হয় এবং এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করে কোনো লাভ নেই. শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন.

দীর্ঘ সময় পে-স্কেল না থাকা ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে তুলনা

সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী সরকারি কর্মচারীদের বর্তমান আর্থিক সংকটের মূল কারণসমূহ এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে এর বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরেন:

  • দীর্ঘদিন পে-স্কেলহীনতা: অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে বিগত দীর্ঘ ১১ বছর ধরে দেশে নতুন কোনো সরকারি পে-স্কেল দেওয়া হয়নি.
  • মূল্যস্ফীতির চাপ: এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে বাজারে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েক গুণ বেড়েছে, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সরকারি কর্মচারীদের ওপর. ফলে নির্দিষ্ট আয়ের এই কর্মচারীদের দৈনন্দিন পারিবারিক ব্যয় মেটাতে তীব্র সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে.
  • বেসরকারি খাতের সাথে বৈষম্য: দেশের বেসরকারি খাতে মূল্যস্ফীতি ও বাজারের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো বা সমন্বয় করা হলেও, সরকারি খাতে দীর্ঘ সময় ধরে সেই প্রয়োজনীয় সমন্বয়টি করা সম্ভব হয়নি.
  • দুর্নীতি কমার প্রত্যাশা: সরকার আশা করছে যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গে দুর্নীতি স্বাভাবিক নিয়মেই কমে আসবে. তাদের বৈধ আয় যখন বৃদ্ধি পাবে এবং পারিবারিক জীবনযাত্রার মান কিছুটা উন্নত হবে, তখন তারা দুর্নীতির পথ পরিহার করবে বলে অর্থমন্ত্রী দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন.

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ

ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এই হাইপ্রোফাইল বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রীর পাশাপাশি সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং উচ্চপদস্থ আমলারা উপস্থিত ছিলেন:

  • মন্ত্রীবর্গ: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন; শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং কৃষি, মৎস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ.
  • প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাবর্গ: অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি; প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ.
  • উচ্চপদস্থ আমলা ও কর্মকর্তা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার; মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি; বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান; জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এবং প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি.

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী. উল্লেখ্য, এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ৫৫তম জাতীয় বাজেট এবং বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পেশ করা প্রথম বাজেট.

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত