রবিবার , ৭ জুন ২০২৬ | ১লা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ৭, ২০২৬ ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে একটি জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান. রবিবার (৭ জুন) বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘কর্মমুখী ও টেকনিক্যাল শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন. প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী সাহসী মানুষদের সম্মান জানাতে এবং আগামী দিনের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষায়-দীক্ষায় ও প্রযুক্তিগতভাবে নিজেদের প্রস্তুত রাখা অত্যন্ত জরুরি. তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশের আধুনিক ও প্রযুক্তি-নির্ভর উচ্চশিক্ষা বিস্তারে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়; কারণ সারাদেশে এর অধিভুক্ত ২ হাজারেরও বেশি কলেজে বর্তমানে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে এবং এ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমিকভাবে এক কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী এখান থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছে. উল্লেখ্য, শহর ও গ্রামের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন.

এআই ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ এবং নতুন কারিকুলাম

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অটোমেশনের অবাধ প্রসারের ফলে পুরোনো অনেক কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়লেও নতুন নতুন ক্ষেত্রে প্রচুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে. এমন বাস্তবতায় কেবল সার্টিফিকেট-সর্বস্ব শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তে দক্ষতা-ভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই বলে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন. কারিকুলামকে পূর্ণাঙ্গ ও যুগোপযোগী করতে তিনি বেশ কিছু আধুনিক বিষয়ের ওপর জোর দেন:

  • সফট স্কিল ও ডিজিটাল দক্ষতা: শিক্ষা কারিকুলামে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ফরেনসিক সায়েন্স, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল এন্টারপ্রেনরশিপ, ডিজিটাল কমিউনিকেশন, কগনিটিভ এম্পাওয়ারমেন্ট, প্রেজেন্টেশন স্কিল, লিডারশিপ এবং ফাইনান্সিয়াল লিটারেসির মতন সফট স্কিল অন্তর্ভুক্ত করা আবশ্যক.
  • ভবিষ্যতের প্রযুক্তি: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট অব থিংস, মেটেরিয়াল সায়েন্স, ন্যানোটেকনোলজি ও থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তির বিষয়ে উদাসীন থাকলে ভবিষ্যতে কর্মে সাফল্য অর্জন অসম্ভব হতে পারে.
  • সরকারের উদ্যোগ: বর্তমান সরকার ইতিমধ্যেই প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে উচ্চস্তর পর্যন্ত শিক্ষা কারিকুলামকে বাস্তব ও প্রযুক্তি-নির্ভর করার কাজ শুরু করেছে এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও পাঠ্যক্রমকে শ্রম-উপযোগী করার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে.

ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সমন্বয় ও বেকারত্ব দূরীকরণের পরিকল্পনা

উচ্চশিক্ষা নিয়ে প্রতিবছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী বের হলেও ব্যবহারিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার অভাবে অনেকেই দুঃখজনকভাবে বেকার থাকছেন. এই পরিস্থিতি উত্তরণে বর্তমান সরকার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে বাস্তবমুখী করতে এপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক বৃদ্ধিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে. প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় শহরগুলোতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় সাধন করা হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা ছাত্রাবস্থাতেই বাস্তব কর্মদক্ষতা অর্জন করতে পারে এবং শিক্ষাজীবন শেষে তাদের বেকার থাকতে না হয়. এছাড়া, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে নৈতিক শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং পরিবেশ সংরক্ষণের প্রতি আরও যত্নশীল হতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী.

ক্যাম্পাস থেকে তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি ও সিড ফান্ডিংয়ের ঘোষণা

শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেই যেন একজন উদ্যোক্তা বা এন্টারপ্রেনার হিসেবে অন্য আরও কয়েকজনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, সেই লক্ষ্যে সরকার ক্যাম্পাস থেকে ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা তৈরির বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে. এরই অংশ হিসেবে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণা বা ‘ইনোভেটিভ বিজনেস আইডিয়া’গুলোকে মূল্যায়ন করে প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ‘সিড ফান্ডিং’ (Seed Funding) বা ইনোভেশন গ্রান্ট প্রদানের বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার. এর ফলে দেশের তরুণ ও আগ্রহী উদ্যোক্তারা তাদের নতুন নতুন সৃজনশীল ব্যবসায়িক ধারণা বাস্তবায়ন করে দেশের অর্থনীতিতে সরাসরি অবদান রাখতে সক্ষম হবেন.

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

হাদি হত্যা : গ্রেফতার দুজনকে দেশে ফেরানো প্রসঙ্গে যা বললেন আইজিপি

৫ ও ৬ আগস্ট দেশব্যাপী বিএনপির ‘বিজয় র‍্যালি’

 ফারুক খান গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেতা

এনবিআর বিলুপ্ত হলেও রাজস্ব আদায়ে কোনো প্রভাব পড়বে না: অর্থ উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবসহ তিন সচিবকে সরিয়ে দেওয়া হলো

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৬ থেকে ২৩ দিনের দীর্ঘ ছুটি শুরু হচ্ছে

মালয়েশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

শহীদ মিনারের ব্যতিক্রমী ঘটনা, রাষ্ট্রপতির বিদায়ের ইঙ্গিত?

নির্বাচনের স্বচ্ছতার জন্য দলগুলোর সহযোগিতা চায় ইসি

বিনা টিকিটে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ দেখতে পারবেন ১৪ হাজার দর্শক