শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে এদেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান. শনিবার (৩০ মে) বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশব্যাপী অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে বস্ত্র এবং খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন. প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আজীবন দেশের সাধারণ ও মেহনতি মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন এবং তিনি ছিলেন সংকটে বাংলাদেশের আলোকবর্তিকা. আজকে তাঁর শাহাদাত বার্ষিকীতে কেবল তাঁকে স্মরণই করা হচ্ছে না, বরং তাঁর দেখানো জনকল্যাণমুখী ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিজেদের নিয়োজিত করার শপথ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন.
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জোর দিয়ে বলেন, দেশের প্রতিটি কোণায় যাতে কোনো মানুষ ক্ষুধার্ত বা বস্ত্রহীন না থাকে, সরকার সেই লক্ষ্যেই দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে. একই সাথে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের পরম দায়িত্ব বলেও তিনি মন্তব্য করেন. ঐতিহাসিক এই দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানাসহ দেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক ইউনিটে অসচ্ছল ও দুস্থ মানুষের মাঝে কাপড়, চাল, ডালসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণের এই মানবিক কর্মসূচি একযোগে অত্যন্ত সফলভাবে পরিচালিত হয়.
এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সর্বাত্মক নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে উপস্থিত হয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন. এ সময় জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে এক বিশেষ দোয়া মাহফিলও অনুষ্ঠিত হয়. এই সমাধি জিয়ারত ও ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন.



















