রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালীন সবজির দাম গত সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে, তবে রান্নার অন্যতম অনুষঙ্গ পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচের দাম কিছুটা বেড়েছে। ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমলেও সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে ডিমের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে এক ডজন লাল ডিমের দাম ২৫-৩০ টাকা বেড়ে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় ঠেকেছে।
সবজি ও মসলার বাজার: বাজারে বেশিরভাগ গ্রীষ্মকালীন সবজি আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। করলা ৭০-৮০ টাকা, বেগুন ৮০-১৪০ টাকা এবং সজিনা ১৮০-২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১০০-১৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আলুর দাম ২৫ টাকা হলেও দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। লেবুর হালি মানভেদে ১০ থেকে ৩০ টাকা।
মাছ ও মাংসের দাম: মাছের বাজারে রুই ও ইলিশের দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। ৫০০-৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ২০০০-২২০০ টাকা এবং রুই মাছ আকারভেদে ৪০০-৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা ও সোনালি কক ৩২০ টাকায় নামলেও গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি দরে অপরিবর্তিত রয়েছে।
ডিম ও অন্যান্য নিত্যপণ্য: ডিমের বাজারে অস্থিরতা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেছে। এক ডজন লাল ডিম এখন ১৫০-১৫৫ টাকা, যা গত সপ্তাহেও ১২০-১৩০ টাকার মধ্যে ছিল। হাঁসের ডিমের ডজন ২০০ টাকা এবং দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় শাক-সবজির মধ্যে লাল শাক ১৫ টাকা আঁটি এবং পালং শাক ২০ টাকা (প্রতি আঁটি) দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।



















