ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, কেবল একাডেমিক শিক্ষা শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রাথমিক থেকে উচ্চতর স্তর পর্যন্ত কারিকুলামকে কর্মমুখী ও সময়োপযোগী হিসেবে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সেতুবন্ধন তৈরিতে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী আইডিয়া বাস্তবায়নে এখন থেকে ‘সিড ফান্ডিং’ ও ইনোভেশন গ্রান্ট প্রদান করা হবে, যাতে তারা শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরাই উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। এ সময় তিনি এআই, রোবোটিক্স ও কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষতা অর্জনের পরামর্শ দেন।
দীর্ঘ দেড় দশকের আন্দোলন ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় মেধা ও যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। তবে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি দেশজ ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ বজায় রাখার ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন। এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।



















