হিমালয়ের দেশ নেপাল-এ দীর্ঘ চার দশক পর চুরি হওয়া ১৩শ’ শতকের একটি ঐতিহাসিক বুদ্ধমূর্তি ফিরে আসায় আনন্দ-উৎসবে মেতেছে স্থানীয়রা। রাজধানী কাঠমান্ডু-র একটি প্রাচীন মন্দিরে সম্প্রতি মূর্তিটি পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।
শুক্রবার ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীতের তালে পালকিতে করে মূর্তিটি মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়। বিপুলসংখ্যক ভক্তের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা আবেগঘন পরিবেশে ভরে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দা সুনকেসারি শাক্য বলেন, বহু বছর পর “আমাদের দেবতা আবার ফিরে এসেছে।”
এই বুদ্ধমূর্তিটি ১৯৮০-এর দশকে চুরি হয়ে যায়। পরে ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে এটি উদ্ধার করে নেপালে ফিরিয়ে আনা হয়। বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধ-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বুদ্ধ জয়ন্তী উদযাপনের সময় মূর্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে তার মূল বেদিতে স্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোর বলেন, অতীতে ভুলভাবে হাতবদল হওয়া এসব অমূল্য ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে, যা ইতিহাসের ভুল সংশোধনের অংশ।
মূর্তিটি চুরি হওয়ার পর এতদিন স্থানীয়রা একটি প্রতিলিপি ব্যবহার করে পূজা করতেন। এখন আসল মূর্তিটি পুনঃস্থাপন করা হয়েছে এবং প্রতিলিপিটি অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
নেপালের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০টি চুরি হওয়া প্রত্নসম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ৪১টি তাদের মূল স্থানে পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও ৪০০-এর বেশি নিদর্শন নিখোঁজ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্রত্নসম্পদ শুধু শিল্পকর্ম নয়—এগুলো নেপালের জীবন্ত ঐতিহ্যের অংশ। চুরি হওয়া নিদর্শন ফিরিয়ে আনার এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠছে।
হিমালয়ের দেশ নেপাল-এ দীর্ঘ চার দশক পর চুরি হওয়া ১৩শ’ শতকের একটি ঐতিহাসিক বুদ্ধমূর্তি ফিরে আসায় আনন্দ-উৎসবে মেতেছে স্থানীয়রা। রাজধানী কাঠমান্ডু-র একটি প্রাচীন মন্দিরে সম্প্রতি মূর্তিটি পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।
শুক্রবার ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীতের তালে পালকিতে করে মূর্তিটি মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়। বিপুলসংখ্যক ভক্তের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা আবেগঘন পরিবেশে ভরে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দা সুনকেসারি শাক্য বলেন, বহু বছর পর “আমাদের দেবতা আবার ফিরে এসেছে।”
এই বুদ্ধমূর্তিটি ১৯৮০-এর দশকে চুরি হয়ে যায়। পরে ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে এটি উদ্ধার করে নেপালে ফিরিয়ে আনা হয়। বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধ-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বুদ্ধ জয়ন্তী উদযাপনের সময় মূর্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে তার মূল বেদিতে স্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোর বলেন, অতীতে ভুলভাবে হাতবদল হওয়া এসব অমূল্য ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে, যা ইতিহাসের ভুল সংশোধনের অংশ।
মূর্তিটি চুরি হওয়ার পর এতদিন স্থানীয়রা একটি প্রতিলিপি ব্যবহার করে পূজা করতেন। এখন আসল মূর্তিটি পুনঃস্থাপন করা হয়েছে এবং প্রতিলিপিটি অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
নেপালের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০টি চুরি হওয়া প্রত্নসম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ৪১টি তাদের মূল স্থানে পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও ৪০০-এর বেশি নিদর্শন নিখোঁজ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্রত্নসম্পদ শুধু শিল্পকর্ম নয়—এগুলো নেপালের জীবন্ত ঐতিহ্যের অংশ। চুরি হওয়া নিদর্শন ফিরিয়ে আনার এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠছে।
হিমালয়ের দেশ নেপাল-এ দীর্ঘ চার দশক পর চুরি হওয়া ১৩শ’ শতকের একটি ঐতিহাসিক বুদ্ধমূর্তি ফিরে আসায় আনন্দ-উৎসবে মেতেছে স্থানীয়রা। রাজধানী কাঠমান্ডু-র একটি প্রাচীন মন্দিরে সম্প্রতি মূর্তিটি পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।
শুক্রবার ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীতের তালে পালকিতে করে মূর্তিটি মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়। বিপুলসংখ্যক ভক্তের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা আবেগঘন পরিবেশে ভরে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দা সুনকেসারি শাক্য বলেন, বহু বছর পর “আমাদের দেবতা আবার ফিরে এসেছে।”
এই বুদ্ধমূর্তিটি ১৯৮০-এর দশকে চুরি হয়ে যায়। পরে ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে এটি উদ্ধার করে নেপালে ফিরিয়ে আনা হয়। বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধ-এর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বুদ্ধ জয়ন্তী উদযাপনের সময় মূর্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে তার মূল বেদিতে স্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গোর বলেন, অতীতে ভুলভাবে হাতবদল হওয়া এসব অমূল্য ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে, যা ইতিহাসের ভুল সংশোধনের অংশ।
মূর্তিটি চুরি হওয়ার পর এতদিন স্থানীয়রা একটি প্রতিলিপি ব্যবহার করে পূজা করতেন। এখন আসল মূর্তিটি পুনঃস্থাপন করা হয়েছে এবং প্রতিলিপিটি অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
নেপালের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০টি চুরি হওয়া প্রত্নসম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ৪১টি তাদের মূল স্থানে পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও ৪০০-এর বেশি নিদর্শন নিখোঁজ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্রত্নসম্পদ শুধু শিল্পকর্ম নয়—এগুলো নেপালের জীবন্ত ঐতিহ্যের অংশ। চুরি হওয়া নিদর্শন ফিরিয়ে আনার এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠছে।
সূত্র: আল-জাজিরা


















