বুধবার , ৮ এপ্রিল ২০২৬ | ১লা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ইরানের ১০ দফা প্রস্তাব: আলোচনার টেবিলে তেহরানের কঠোর শর্ত

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ৮, ২০২৬ ২:৩৩ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ইরান একটি সুনির্দিষ্ট ১০ দফা শান্তি পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। এই পরিকল্পনাটি আগামী ১০ এপ্রিল (শুক্রবার) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অনুষ্ঠেয় উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই ১০ দফার মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ রক্ষা, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ আদায়ের মাধ্যমে একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো।

পরিকল্পনার প্রধান বিষয়গুলো নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো:


১. হরমুজ প্রণালী ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ

ইরান এই প্রণালীকে তাদের অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ‘লাইফলাইন’ হিসেবে দেখছে:

  • নিয়ন্ত্রিত চলাচল: হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য একটি বিশেষ প্রোটোকল বা নিয়মাবলী স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে ওই অঞ্চলে ইরানের আধিপত্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
  • প্রতিরোধমূলক অভিযান স্থগিত: দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করার পাশাপাশি সকল পক্ষকে একে অপরের প্রতি আক্রমণ ও উসকানিমূলক সামরিক অভিযান থেকে বিরত থাকতে হবে।

২. মার্কিন সেনা ও সামরিক ঘাঁটি

পরিকল্পনার অন্যতম কঠিন শর্ত হলো মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন উপস্থিতি কমানো:

  • সেনা প্রত্যাহার: ইরানের দাবি অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনকৃত সকল মার্কিন সেনা এবং তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলো সরিয়ে নিতে হবে।
  • নিরাপত্তা গ্যারান্টি: অঞ্চলটিতে বিদেশি শক্তির প্রভাবমুক্ত একটি নতুন নিরাপত্তা কাঠামো তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

৩. অর্থনৈতিক দাবি ও ক্ষতিপূরণ

ইরান তাদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে সৃষ্ট ক্ষতির প্রতিকার চেয়েছে:

  • নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: প্রাথমিক ও দ্বিতীয় পর্যায়ের সকল অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে তুলে নিতে হবে।
  • সম্পদ মুক্তি: বিদেশে আটকে থাকা (ফ্রিজ করা) ইরানের সকল রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত সম্পদ মুক্তি দিতে হবে।
  • ক্ষতিপূরণ: গত কয়েক বছরের অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষয়ক্ষতির বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি জানানো হয়েছে।

৪. আইনি ও আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা

চুক্তিটিকে স্থায়ী রূপ দিতে জাতিসংঘের মধ্যস্থতা চাওয়া হয়েছে:

  • জাতিসংঘের রেজুলেশন: এই ১০ দফা পরিকল্পনার ভিত্তিতে হওয়া যে কোনো চূড়ান্ত চুক্তিকে অবশ্যই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশনের মাধ্যমে অনুমোদিত হতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো পক্ষ এর বরখেলাপ করতে না পারে।

বর্তমান প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যেই এই ১০ দফা প্রস্তাবকে আলোচনার একটি “কার্যকর ভিত্তি” হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন এবং দুই সপ্তাহের জন্য ইরানের ওপর হামলা স্থগিত রেখেছেন। বর্তমানে পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতরা ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন এই ঐতিহাসিক আলোচনার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিতে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ১০ এপ্রিলের এই বৈঠক যদি সফল হয়, তবে তা কেবল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বন্দ্ব নয়, বরং সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতায় একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।

সূত্রঃ আল-জাজিরা 

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

নাম ও থাম বদলে পুরোনো নাটক নতুন করে মুক্তি : নতুন প্রতারণা

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা বিচারককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে বিনিয়োগে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

ক্যাবিনেট বৈঠকে আমন্ত্রণ প্রধান উপদেষ্টার, যমুনায় যাচ্ছেন ফখরুল

হাদির কবর জিয়ারতের পর নির্বাচন কমিশনের পথে তারেক রহমান

রাজশাহী রেললাইনে পাথরের সঙ্গে ইটের খোয়া!

ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দাদের চাঞ্চল্যকর তথ্য

নতুন সরকারের শপথে আমন্ত্রণ পেতে পারেন মোদী–শেহবাজ

চোরাই পণ্যের আগ্রাসনে সিলেটের বাজার বিপর্যস্ত

যুদ্ধবিরতির পরই আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ৬