মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধাবস্থায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ লাইন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় সরকার বিকল্প উৎস হিসেবে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং কাজাখস্তান থেকে তেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল, ২০২৬) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।
জ্বালানি আমদানির নতুন এই কৌশলের প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- বিকল্প উৎসের সন্ধান: হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের প্রথাগত সরবরাহ ব্যবস্থা কিছুটা অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার এখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর দিকে নজর দিয়েছে।
- ভর্তুকি অব্যাহত: বিশ্ববাজারে তেলের দামের অস্থিরতা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার জ্বালানি খাতে ভর্তুকি প্রদান অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা: ইতোমধ্যে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও কাজাখস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই দেশগুলো থেকে তেলের চালান দেশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান যে, সরকার এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং নিয়মিত আমদানির পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ সাশ্রয় নীতি (যেমন: রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ ও অফিসের সময় পরিবর্তন) কঠোরভাবে কার্যকর করা হচ্ছে।



















