শনিবার , ৬ জুন ২০২৬ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ইউরোপের মাটিতে সান মারিনোকে হারিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ৬, ২০২৬ ৪:৫১ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

ইউরোপের মাটিতে কোনো ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে প্রথমবার খেলতে নেমেই দুর্দান্ত এক ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ ফুটবল দল. শুক্রবার অনুষ্ঠিত ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিক সান মারিনোকে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা. স্তাদিও অলিম্পিকো সেরাভালে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই রোমাঞ্চকর ম্যাচে জয়ের মূল নায়ক ছিলেন দলের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার তপু বর্মণ. তাঁর অসাধারণ দুটি গোলের ওপর ভর করেই নতুন জার্মান কোচ থমাস ডুলির অভিষেক ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখল বাংলাদেশ দল.

প্রথমার্ধের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশ দল বেশ আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলা শুরু করে. ম্যাচের ১৭ মিনিটে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার একটি জোরালো শট প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ প্রতিহত করলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের জন্য বাংলাদেশকে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি. ১৯তম মিনিটে ডানপ্রান্ত থেকে শেখ মোরছালিনের একটি নিখুঁত ক্রসে দারুণ হেডের সাহায্যে বল জালে জড়িয়ে বাংলাদেশকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন তপু বর্মণ. তবে পিছিয়ে পড়ার পর স্বাগতিক সান মারিনো আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয়. ৩১ মিনিটে বেরার্দির একটি কাটব্যাক থেকে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে গোলটি শোধ করেন নিকোলাস জাকোপেত্তি. প্রথমার্ধের ৩৮ মিনিটে সাদ উদ্দিন গোলরক্ষককে একদম একা পেয়েও বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারলে লিড নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হয় এবং ১-১ সমতা নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল.

ডুলির কৌশলী পরিবর্তন ও তপুর দ্বিতীয় গোল

বাংলাদেশ দলের ডাগআউটে নিজের প্রথম অ্যাসাইনমেন্টেই চমক দেখিয়েছেন কোচ থমাস ডুলি. প্রথমার্ধ শেষে দ্বিতীয়র্ধের খেলায় তিনি একাদশে ব্যাপক রদবদল আনেন; জামাল ও মোরছালিনকে উঠিয়ে মাঠে নামানো হয় তরুণ সমিত সোম ও জায়ান আহমেদকে এবং ইসা ফয়সালের বদলি হিসেবেও পরিবর্তন আনা হয়. দ্বিতীয়র্ধের শুরুতে ৪৮ মিনিটে হামজার থ্রু পাস ধরে রফিকুলের ক্রসে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন সোহেল রানা এবং ৫৩ মিনিটে সাদের ক্রসে ফাহিমের হেডও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়. ৬১ মিনিটে সান মারিনোর কাপিচ্ছিয়োনির একটি ভয়ংকর ফ্রি-কিক কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিতুল মারমা. ম্যাচের শেষদিকে কোচ ফাহিম ও রফিকুলকে তুলে বিশ্বনাথ ঘোষ ও ফাহামেদুল ইসলামকে এবং ৭৬ মিনিটে সিনিয়র সোহেল রানার জায়গায় কাজেম শাহ কিরমানিকে মাঠে নামান. ম্যাচ যখন নিশ্চিত ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই ৮৬ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে হামজার ফ্রি-কিক থেকে সৃষ্টি হওয়া জটলায় বিশ্বনাথের সাইড ভলিতে মাথা ছুঁইয়ে নিজের ও দলের দ্বিতীয় জয়সূচক গোলটি এনে দেন ডিফেন্ডার তপু বর্মণ. এই ঐতিহাসিক জয়ের পর জার্সি খুলে তপুর বুনো উদযাপনের পাশাপাশি গ্যালারিতে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরাও বাঁধভাঙা উল্লাসে মেতে ওঠেন.

সর্বশেষ - অপরাধ