বর্তমানে প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে ১৩টি সিনিয়র সচিব ও সচিব পদ শূন্য থাকায় তা পূরণে নানামুখী তৎপরতা শুরু হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী সূত্র অনুযায়ী, নবগঠিত বিএনপি সরকার মেধা, যোগ্যতা ও পেশাদারত্বকে প্রাধান্য দিয়ে এই পদগুলো দ্রুত পূরণের পরিকল্পনা করছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই পদগুলোতে আসীন হতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগসহ বিভিন্ন পর্যায়ে জোর তদবির অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং পরিকল্পনা কমিশনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে শীর্ষ কর্মকর্তার পদ খালি পড়ে আছে।
[Image showing a formal government administrative meeting or a conceptual image of the Bangladesh Secretariat]
বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দক্ষ আমলাতন্ত্রের কোনো বিকল্প নেই। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া জানান, সরকার সাময়িকভাবে সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি প্রশাসনের জন্য শুভ হবে না। প্রশাসনের একটি বড় অংশ মনে করছে, বিগত ১৭ বছরে যারা পদোন্নতি বঞ্চিত ছিলেন এবং যারা পেশাদার হিসেবে পরিচিত, তাদের দ্রুত মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রশাসনে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। সরকার যদি কেবল সততা ও মেধাকে মানদণ্ড হিসেবে নির্ধারণ করে, তবেই আমলাতন্ত্রে প্রকৃত সংস্কার আসবে বলে তারা প্রত্যাশা করছেন।



















