শনিবার , ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১লা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

শহীদ মিনারের ব্যতিক্রমী ঘটনা, রাষ্ট্রপতির বিদায়ের ইঙ্গিত?

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ ২:১৫ অপরাহ্ণ

Spread the love

মহান একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের দীর্ঘদিনের প্রচলিত রেওয়াজে এবার দৃশ্যমান ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা গেছে। সাধারণত প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান এবং তাঁরা একত্রে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কিন্তু এবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন রাত ১২টা ১ মিনিটে এককভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন এবং তাঁর চলে যাওয়ার পর ১২টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ মিনারে উপস্থিত হন। এই নজিরবিহীন ঘটনাটি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে কেবল প্রটোকল সংক্রান্ত বিষয় নয়, বরং এটি বর্তমান রাষ্ট্রপতির বিদায়ের একটি সুস্পষ্ট ‘প্রতীকী রাজনৈতিক বার্তা’।

রাজনৈতিক দূরত্ব ও অভিশংসন আলোচনা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের মনোনীত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি ওঠে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রবল চাপের মুখেও তখন বিএনপি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় তিনি পদে বহাল ছিলেন। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর পরিস্থিতি আমূল বদলে গেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের শক্তির সঙ্গে দূরত্ব এড়াতে এবং রাজনৈতিক শুদ্ধাচার বজায় রাখতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে একত্রে শ্রদ্ধা নিবেদন থেকে বিরত থেকেছেন। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আওয়ামী লীগ মনোনীত রাষ্ট্রপতির অধীনে নতুন সরকার আর কাজ করতে আগ্রহী নয়।

রাষ্ট্রপতির নিজস্ব অবস্থান ও ভবিষ্যৎ প্রক্রিয়া উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নিজেই জানিয়েছিলেন যে, নির্বাচনের পর তিনি সরে যেতে চান। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিজেকে ‘অপমানিত’ মনে করার কথাও তিনি উল্লেখ করেছিলেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি স্বেচ্ছায় স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। তবে তিনি যদি পদত্যাগ না করেন, সেক্ষেত্রে সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সংসদের মাধ্যমে তাঁকে অভিশংসন বা অপসারণ করার পথও সরকারের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

সংবিধান ও রাজনৈতিক প্রত্যাশা সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ বা অভিশংসনের মাধ্যমে পদটি শূন্য হলে দ্রুত নতুন নির্বাচনের বিধান রয়েছে। বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মতে, প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক রীতি মেনে রাষ্ট্রপতি নবনির্বাচিত সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পর সম্মানজনকভাবে পদত্যাগ করতে পারেন। এতে নতুন সংসদ পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একজন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সুযোগ পাবে। যেহেতু জনতা বর্তমান সরকারকে বিশাল ম্যান্ডেট দিয়েছে, তাই পূর্ববর্তী আমলের রাষ্ট্রপতিকে বহাল রাখা সংসদীয় স্পিরিটের সাথে সাংঘর্ষিক বলেই মনে করছেন নীতি-নির্ধারকরা।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বিয়েতে স্বর্ণ কেনা বন্ধের আহ্বান মোদির, কী সংকটে ভারত

জনগণের রায় যেন কেউ পাল্টাতে না পারে—সতর্কবার্তা তারেক রহমানের

এক মাসের মধ্যে রামিসার খুনিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে:প্রধানমন্ত্রী

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর কথা জানালেন ট্রাম্প

নির্বাচন ঘিরে জামায়াত আমিরের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের বৈঠক

বাংলাদেশ ইস্যুতে কলকাতায় উত্তেজনা, জাতীয় পতাকা পোড়ানোর ঘটনা

শীত শুরু, তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে

প্রবাসীদের কল্যাণে স্থায়ী কাঠামো গড়ার অঙ্গীকার নজরুল ইসলাম খানের

ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি শেষ

দেশের উদ্দেশে আজ লন্ডন ছাড়বেন তারেক রহমান