মঙ্গলবার , ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩রা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ড. ইউনূসের বিদায়ী ভাষণ: “এখন আমার যাওয়ার পালা”

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ ৩:৫৩ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের আগের রাতে, অর্থাৎ গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) রাত সোয়া ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক আবেগঘন ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর দায়িত্বভার থেকে বিদায় নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে একটি উৎসবমুখর, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। ড. ইউনূস তাঁর ভাষণে ভোটার, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী এবং বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, “ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নির্বাচন কেমন হওয়া উচিত, এই নির্বাচন তার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকবে।”

১৮ মাসের যাত্রার সমাপ্তি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পরবর্তী উত্তাল সময়ে দায়িত্ব গ্রহণের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “ছাত্র-জনতার অনুরোধে ১৮ মাস আগে আমি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলাম। আমরা চেষ্টা করেছি একটি ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের ভিত্তি গড়ে দিতে। এখন আমার যাওয়ার পালা।” তাঁর এই দীর্ঘ ১৮ মাসের মেয়াদে অর্থনীতি পুনর্গঠন, গুমবিরোধী কমিশন গঠন এবং নির্বাচনমুখী সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন করার কথা উল্লেখ করে তিনি নবনির্বাচিত সরকারের প্রতি শুভকামনা জানান।

নতুন সূর্যোদয়ের অপেক্ষায় বাংলাদেশ প্রধান উপদেষ্টার এই ভাষণের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের ৫৫৮ দিনের একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে দেশ পুনরায় পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। ড. ইউনূস তাঁর ভাষণে গণতান্ত্রিক এই ধারাবাহিকতা রক্ষায় পরবর্তী প্রজন্মকে অতন্দ্র প্রহরীর মতো সজাগ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বিশ্বাস করেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাঁদের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোর সুযোগ পেয়েছেন।


ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন মেয়াদের প্রধান অর্জনসমূহ:

  • শান্তিপূর্ণ নির্বাচন: দেড় যুগ পর একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন উপহার দেওয়া।
  • রাষ্ট্র সংস্কার: গুম কমিশন গঠন ও বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের সূচনা।
  • গণভোটে জয়: জুলাই সনদের ওপর গণভোটে জনগণের বিপুল ‘হ্যাঁ’ ভোটের রায় নিশ্চিত করা।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত