কূটনৈতিক বড় চমক ও আঞ্চলিক গুরুত্ব ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর গঠিত হতে যাওয়া নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে বড় ধরনের কূটনৈতিক প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে। বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতার বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশের সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানোর জোরালো পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপি মনে করছে, এই আমন্ত্রণের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় একটি নতুন সহযোগিতামূলক রাজনীতির সূচনা হবে এবং আঞ্চলিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
মোদী-তারেক ফোনালাপ ও ভারতের অভিনন্দন ইতিমধ্যেই গতকাল শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ফোন করে তারেক রহমানকে নির্বাচনে এই বিশাল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। মোদী তাঁর ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে লিখেছেন যে, তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে আনন্দিত এবং বাংলাদেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিতে ভারতের পূর্ণ সমর্থন থাকবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মোদীর এই ইতিবাচক সাড়া এবং বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁকে শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণের পরিকল্পনা—উভয়ই দীর্ঘ সময় পর ঢাকা ও দিল্লির মধ্যকার সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
শপথের আয়োজন ও দিনক্ষণ শপথ অনুষ্ঠানের মূল আয়োজন করবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার বা বুধবার) বঙ্গভবনে এই বর্ণাঢ্য শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে পারে। আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় প্রায় এক হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তি ও দেশি-বিদেশি কূটনীতিকদের রাখা হচ্ছে। তারেক রহমানের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম WION-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতি আমাদের বিশেষ অগ্রাধিকার রয়েছে। এই আমন্ত্রণ মূলত একটি শুভেচ্ছা বার্তা, যা আঞ্চলিক সংহতিকে আরও দৃঢ় করবে।”



















