বন্ধুত্বের প্রতিশ্রুতি ও আন্তরিক অভিনন্দন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান করেন। প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু তাঁর বার্তায় দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে নতুন নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “আমি আমার উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাই এবং মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতাকে আরও অগ্রসর ও গভীর করতে একসঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য উন্মুখ।”
অংশীদারিত্ব ও উন্নয়নের নতুন প্রত্যাশা মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট তাঁর বার্তায় বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের সাথে মালদ্বীপের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। তিনি লিখেছেন, “আমি আত্মবিশ্বাসী যে, আমাদের অংশীদারিত্ব সামনের বছরগুলোতে আরও সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি শক্তিশালী করবে।” দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে মালদ্বীপের এই ত্বরিত অভিনন্দন তারেক রহমানের নতুন সরকারের জন্য একটি ইতিবাচক আন্তর্জাতিক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আঞ্চলিক সম্পর্কের গুরুত্ব বিশেষ করে পর্যটন ও শ্রমবাজারের ক্ষেত্রে মালদ্বীপ বাংলাদেশের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী দেশ। বিএনপির এই বিপুল বিজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন, পাকিস্তান এবং মালয়েশিয়ার পর মালদ্বীপের রাষ্ট্রপ্রধানের এই স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সরকারের গ্রহণযোগ্যতা আরও মজবুত করল। বিশ্লেষকদের মতে, সার্কভুক্ত দেশগুলোর এই ইতিবাচক সাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতার একটি নতুন দ্বার উন্মোচন করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, শপথ গ্রহণের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে এই সম্পর্কগুলোকে কীভাবে আরও বেগবান করে।



















