বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) বরিশালের ঐতিহাসিক বেলস পার্ক মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় ‘গুপ্ত’ পরিচয়ে পরিচিত একটি রাজনৈতিক দলের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, স্বৈরাচারের পতনের পর এই ‘গুপ্তরা’ এখন নতুন জালিমে পরিণত হয়েছে, যাদের কাছে দেশের মা-বোনদের সম্মান ও নিরাপত্তা নেই।
তারেক রহমানের বক্তব্যের প্রধান দিকসমূহ:
- নারীদের অবমাননার প্রতিবাদ: তিনি সরাসরি নাম না নিলেও জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে করা নারী অবমাননাকর পোস্টের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, “এই জালেমদের নেতা প্রকাশ্যে নারীদের জন্য কলঙ্কিত শব্দ ব্যবহার করেছেন।” তিনি আরও যোগ করেন, যারা মা-বোনদের প্রতি শ্রদ্ধা রাখে না, তারা ক্ষমতায় গেলে দেশ নিরাপদ থাকবে না।
- জনগণকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার অভিযোগ: কুমিল্লার এক ‘গুপ্ত’ নেতার বক্তব্যের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, “ওই নেতা বলেছেন ১২ তারিখ পর্যন্ত জনগণের পা ধরবেন, আর ১২ তারিখের পর জনগণ তাদের পা ধরবে।” তারেক রহমান একে জনগণের প্রতি চরম অবমাননা হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
- স্বৈরাচারের সহযোগী: তিনি দাবি করেন, এই ‘গুপ্ত’ দলগুলো অতীতের প্রতিটি স্বৈরাচারী সরকারের (৭১, ৮৬, ৯৬ ও গত ১৫ বছর) সঙ্গে ছিল এবং এরা মূলত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।
- বরিশালের উন্নয়ন ও নারী উন্নয়ন: নদী-ভাঙন রোধে বেড়িবাঁধ নির্মাণসহ বরিশালের অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এছাড়াও তিনি জোর দিয়ে বলেন, নারীদের ঘরে বন্দি রেখে দেশ গড়া সম্ভব নয়; নারী-পুরুষকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।
তারেক রহমান ভোটারদের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ‘জবাবদিহিমূলক সরকার’ গঠনের লক্ষ্যে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার এবং এই ‘গুপ্ত’ শক্তিগুলোর বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।



















