অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিমান দুর্ঘটনার বিষয়ে আরও কিছু প্রযুক্তিগত ও নতুন তথ্য নিচে যুক্ত করা হলো:
বিমান দুর্ঘটনার কারিগরি ও সময়রেখা
মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারকে বহনকারী ‘লিয়ারজেট ৪৫’ বিমানটি মুম্বাই বিমানবন্দর থেকে বুধবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটে উড্ডয়ন করেছিল। ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩৫ মিনিট আকাশে ওড়ার পর সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে বিমানটি রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বারামতি বিমানবন্দরে অবতরণের আগে রানওয়ের সাথে সমান্তরাল হওয়ার জন্য বিমানটি আকাশে একটি চক্কর (Loop) দিয়েছিল, যা মূলত অবতরণের চূড়ান্ত প্রস্তুতির অংশ ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তেই যান্ত্রিক ত্রুটি বা দৃশ্যমানতার অভাবের কারণে এটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
হতাহত ও তদন্ত প্রক্রিয়া
বেসামরিক বিমান চলাচল বিভাগের (DGCA) প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, বিমানে থাকা পাঁচজন আরোহীর কেউই বেঁচে নেই। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন:
অজিত পাওয়ার: মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও এনসিপি প্রধান।
দুইজন পাইলট: ক্যাপ্টেন সুমিত কাপুর এবং ক্যাপ্টেন শম্ভাবী পাঠক।
নিরাপত্তাকর্মী ও সহকারী: ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তা বিদিপ যাদব এবং অ্যাটেনডেন্ট পিংকি মালি।
দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর হওয়ায় ‘এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো’ (AAIB) বিষয়টি তদন্ত করার দায়িত্ব নিয়েছে। আবহাওয়াগত প্রতিকূলতা নাকি যান্ত্রিক ত্রুটি—ঠিক কী কারণে বিমানটি রানওয়ের পাশে বিধ্বস্ত হয়ে বিস্ফোরিত হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষজ্ঞ দল দিল্লি থেকে পুনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।
বিমান ও পরিচালনাকারী সংস্থা
বিধ্বস্ত বিমানটি ছিল কানাডার বম্বার্ডিয়ার অ্যারোস্পেসের তৈরি ‘লিয়ারজেট ৪৫’ (নিবন্ধন নম্বর: VT-SSK)। এটি দিল্লির বেসরকারি চার্টার কোম্পানি ‘ভিএসআর এভিয়েশন’ পরিচালনা করত। সংস্থাটির অধীনে ১৮টি বিমান রয়েছে এবং তাদের প্রায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, একই মডেলের একটি বিমান ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে মুম্বাইয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল, যদিও সেবার যাত্রীরা প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন।



















