বিকল্প হিসেবে ‘বিমান হামলা’র পরিকল্পনা ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং তাতে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় তেহরানের ওপর সামরিক অভিযানের হুমকি দিয়ে রেখেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট গত সোমবার (১২ জানুয়ারি, ২০২৬) জানিয়েছেন, তেহরানকে চাপে রাখতে ট্রাম্পের কৌশলগত টেবিলে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে রাখা হয়েছে। কূটনীতি ওয়াশিংটনের প্রথম পছন্দ হলেও প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারে ট্রাম্প দ্বিধাবোধ করবেন না বলে জানানো হয়েছে।
বিক্ষোভ ও হতাহতের সংকট গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে কয়েক শ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ একে ‘দাঙ্গা’ বলে অভিহিত করলেও বিক্ষোভকারীদের দাবি, নিহতের সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি। দেশজুড়ে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন থাকায় প্রকৃত পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে না, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরকারের নৃশংসতার প্রমাণ হিসেবে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরছেন।
কূটনীতি বনাম সামরিক শক্তি গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন বোমা হামলার পর এই নতুন হুমকি মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে আবারও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। যদিও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ প্রশাসনের একটি অংশ কূটনৈতিক সংলাপের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন, তবুও ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান স্পষ্ট। হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, ইরানি নেতারা আলোচনার জন্য যোগাযোগ করছেন এবং ব্যক্তিগতভাবে তারা নমনীয় বার্তা দিচ্ছেন। এখন দেখার বিষয়, এই স্নায়ুযুদ্ধ আলোচ
সূত্র: আল জাজিরা



















