রাজধানী ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ফের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নাগরিকদের মধ্যে। সোমবার সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অন্তত নয়টি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ এবং তিনটি স্থানে বাসে আগুন দেওয়ার পর মঙ্গলবারও একই ধরণের ঘটনা ঘটে।
সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত সূত্রাপুর, ধানমন্ডি, যাত্রাবাড়ী, ভাটারা ও উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় চারটি বাস ও একটি প্রাইভেটকারে অগ্নিসংযোগ এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ধানমন্ডির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ের সামনে রাত ৮টার দিকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায় এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এর আগে সোমবার ধানমন্ডি, আগারগাঁও, মিরপুর ও বাংলামোটর এলাকায়ও বিস্ফোরণ ঘটে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, নভেম্বরের শুরু থেকে রাজধানীতে ১৫টি স্থানে ১৭টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে এবং দুই দিনে নয়টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় মোট ১৭টি মামলা হয়েছে এবং গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, “একটি নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল ও তাদের সহযোগীরা নাশকতার চেষ্টা চালাচ্ছে। রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”
তিনি ১৩ নভেম্বর নিয়ে শঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “রাজধানীবাসী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো নাশকতা সফল হবে না।



















