রায় জালিয়াতি, দুর্নীতি ও হত্যাসহ ৫ মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। রবিবার তার আইনজীবী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এসব আবেদনের কাগজ জমা দেন।
আজ বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিনের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে জামিন শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে।
জালিয়াতির মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মামলার রায়ের সময় আপিল বিভাগে সাতজন বিচারক ছিলেন এবং তারা সবাই মিলে রায় দিয়েছেন। একা কোনো বিচারক রায় দিতে পারেন না এবং কাউকেই জোর করা হয়নি।
হত্যা মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার তারিখে খায়রুল হক আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন এবং পুলিশ প্রোটোকল ছাড়া কোথাও যাননি। পুলিশের মুভমেন্ট ডায়েরি অনুযায়ী সেদিন তিনি বাড়িতেই ছিলেন।
দুর্নীতির মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, রাজউকের পূর্বাচল প্লটের জন্য সময়মতো কিস্তি না দেওয়ায় ৪ লাখ ৭৪ হাজার ২৩০ টাকা সুদ মওকুফের অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু তিনি কখনও সুদ মওকুফের আবেদন করেননি। এছাড়া, এটি আইনি বিষয়, ফৌজদারি অপরাধ নয় বলেও আবেদনপত্রে দাবি করা হয়েছে।



















