দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপর গভীর গুরুত্বারোপ করেছেন।
তিনি বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে সম্পর্ক জোরদারে নতুন পথ ও কৌশল উদ্ভাবন প্রয়োজন।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সিউলে প্রেসিডেন্ট ভবনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে নতুন বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তোফিক ইসলাম শাতিল তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করলে প্রেসিডেন্ট এ মন্তব্য করেন।
পরিচয়পত্র প্রদান অনুষ্ঠানে উষ্ণ পরিবেশ
ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় জানানো হয়, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও মনোরম পরিবেশে পরিচয়পত্র প্রদান অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের পর রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের একটি সংক্ষিপ্ত সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
শুভেচ্ছা বিনিময় ও বন্ধুত্বের বার্তা
রাষ্ট্রদূত তোফিক ইসলাম শাতিল সাক্ষাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। কোরিয়ার প্রেসিডেন্টও তাঁদের প্রতি শুভকামনা জানান।
রাষ্ট্রদূত বলেন—
“দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু ও উন্নয়ন সহযোগী। দুই দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করতে আমি কাজ করে যেতে আগ্রহী।”
???? রোহিঙ্গা সংকটে সহায়তার প্রশংসা
রাষ্ট্রদূত শাতিল বলেন,
“বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার অব্যাহত মানবিক সহায়তা প্রশংসনীয়। আমরা এর জন্য কৃতজ্ঞ।”
তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার “নিউ সাউথ পলিসি” তথা দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের ঘোষিত উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন।
???????? কোরীয় প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ
আলোচনার এক পর্যায়ে রাষ্ট্রদূত তোফিক ইসলাম শাতিল দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান, যা তিনি উপযুক্ত সময়ে বিবেচনার আশ্বাস দেন।



















