কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার রেকর্ড পরিমাণ অর্থ পাওয়া গেছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সোয়া ৭টার দিকে জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরীর উপস্থিতিতে ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়। এতে পাওয়া গেছে ৩২ বস্তা ভর্তি টাকা, যা এখনো গণনার কাজ চলছে।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদের তত্ত্বাবধানে এ গণনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দানবাক্স খোলার কাজে অংশ নিয়েছেন রূপালী ব্যাংকের শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, দুটি মাদ্রাসার ৩৪০ জন শিক্ষার্থী, মসজিদের স্টাফ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এর আগে গত ১২ এপ্রিল দানবাক্স খুলে ২৮ বস্তা টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রুপা মিলে মোট ৯ কোটি ১৭ লাখ টাকারও বেশি পাওয়া গিয়েছিল। এবার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ।
জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান জানান, দানের অর্থ দিয়ে একটি ১০ তলাবিশিষ্ট আধুনিক ইসলামি কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এখানে ধর্মীয় শিক্ষা, পাঠাগার, ক্যাফেটেরিয়া, আইটি সেকশনসহ অনাথ-এতিমদের জন্য আবাসন ও পড়াশোনার ব্যবস্থা থাকবে। বর্তমানে পাগলা মসজিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৯০ কোটি টাকার দান জমা আছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী বলেন, দানবাক্স খোলা থেকে শুরু করে টাকা ব্যাংকে জমা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, পাগলা মসজিদে টাকা-পয়সার পাশাপাশি নিয়মিত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলসহ নানান জিনিস দান করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তরা।



















