বসুন্ধরা গ্রুপকে ফাঁসাতে ও চাপে রাখতে মুনিয়ার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র হয়েছিল—এমন তথ্য সামনে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, মূল অপরাধীকে রক্ষা করতে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আসামি করা হয় এবং গ্রুপের কাছে ১০০ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদির জেরায় নতুন সব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। সিআইডি জানিয়েছে, তিনি নারী ও মাদক সরবরাহ চক্র চালাতেন এবং প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় দীর্ঘদিন অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান। আফ্রিদির জব্দ করা মোবাইল, ল্যাপটপ ও হার্ডডিস্ক ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
২০২১ সালের রমজানে রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে মুনিয়ার লাশ উদ্ধারের পর মামলায় সায়েম সোবহান আনভীরকে আসামি করা হয়। তবে দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালত জানান, তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে পিবিআই-ও প্রতিবেদনে মুনিয়ার মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করে।
কিন্তু আফ্রিদিকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ফাঁস হওয়া অডিও ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা তথ্য মুনিয়ার ঘটনার নতুন দিক উন্মোচন করছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মুনিয়া ইস্যুকে কেন্দ্র করে বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হয়েছিল, যা এখন একে একে প্রকাশ্যে আসছে।



















