শনিবার , ১৯ জুলাই ২০২৫ | ১লা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

চরমপন্থা ও ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সতর্ক থাকতে হবে

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ১৯, ২০২৫ ৪:৫৫ অপরাহ্ণ

Spread the love

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “আপনাদের, আমাদের, আমাদের সকলের কোনো আবেগতাড়িত কিংবা ভুল সিদ্ধান্তের কারণে রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে ভবিষ্যতে আর যাতে কোনো চরমপন্থা কিংবা ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ না পায়, সে ব্যাপারে আপনাদের সতর্ক এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবদান ও শহীদদের স্মরণে আজ শনিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক স্মরণসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভূমিকা এবং আন্দোলন পরবর্তী বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি আলোচনায় উঠে এসেছে। তিনি জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ, আহত এবং চিকিৎসাধীন প্রত্যেকের অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তারেক রহমান দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধারা যেমন জনগণের হৃদয়ে স্মরণীয় হয়ে আছেন, তেমনি ২০২৪ সালে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধে শহীদরাও আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তিনি উল্লেখ করেন, কোটা সংস্কার এবং ফ্যাসিবাদী পতনের দাবিতে গত বছর গণঅভ্যুত্থানের এই সময়টি ছিল অত্যন্ত উত্তাপ।

তিনি বলেন, সেদিন ক্যাম্পাস ও রাজপথ রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল। তারেক রহমান ১৬ জুলাই থেকে ‘মাফিয়া সরকারের পতন ঘণ্টা’ বেজে ওঠার কথা স্মরণ করেন, যখন রংপুর, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কমপক্ষে ৬ জন শহীদ হন। তিনি বলেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হলেও ১৬ জুলাইয়ের পর তা আর শুধু কোটা সংস্কারের দাবিতে সীমাবদ্ধ ছিল না। সারা দেশে স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়া আন্দোলন দমন করতে তৎকালীন ‘মাফিয়া সরকার’ বেপরোয়া হত্যা ও নির্মম দমন-পীড়ন চালিয়েছিল।

তারেক রহমান ১৮ জুলাই থেকে দল-মত নির্বিশেষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাহসী অংশগ্রহণকে স্মরণ করে বলেন, সেদিন থেকেই তার দৃঢ় বিশ্বাস জন্মেছিল যে, ‘মাফিয়া সরকারের পতন এখন শুধুমাত্রই সময়ের ব্যাপার।’ সেই উপলব্ধি থেকেই বিএনপিসহ সকল গণতান্ত্রিক দল ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী আন্দোলনকে ‘ফ্যাসিস্ট পতনের এক দফা আন্দোলনে’ পরিণত করে পতন নিশ্চিত করার কৌশল অবলম্বন করেছিল। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, কোটা সংস্কারের বিষয়টি বিএনপির কর্মপরিকল্পনায় অনেক আগে থেকেই অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা তিনি ২০১৪ সালের ১৫ জুলাই লন্ডনে এক আলোচনা সভায় উল্লেখ করেছিলেন।

তিনি শহীদদেরকে জাতির গৌরব এবং গণতান্ত্রিক ও মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণা আখ্যায়িত করে তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান। তারেক রহমান বলেন, “ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ, শহীদদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে শহীদদের রক্তের ঋণ পরিশোধ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ইনসাফ এবং ন্যায়ভিত্তিক এবং তাবেদার মুক্ত গণতান্ত্রিক মানবিক বাংলাদেশ করার মাধ্যমে আজ আমরা শহীদদের প্রতি সত্যিকারভাবে সম্মান এবং শ্রদ্ধা জানাতে পারি।”

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, হাজারো শহীদদের কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গড়ে তোলার পূর্বশর্তই হচ্ছে জনগণের বাংলাদেশে জনগণের সরাসরি ভোটে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ এবং জবাবদিহিমূলক একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা। এমন একটি গণতান্ত্রিক নিরাপদ নির্বাচনী ব্যবস্থা জরুরি, যেখানে প্রতিটি ভোটার নির্ভয়ে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে পারে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের কাঠামো ভেঙে দিতে হলে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, প্রয়োগ এবং চর্চার কোনো বিকল্প নেই।

তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের পরিবর্তে জনগণের রায়কে রাজনৈতিক অভিলাষ পূরণের প্রধান মাধ্যম করার উপর জোর দেন। তিনি বারবার বলেন যে, জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা না গেলে কোনো আইনই টেকসই হবে না।

তিনি সম্প্রতি দেশে সংঘটিত কিছু নৃশংস ঘটনা জনমনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলে মন্তব্য করেন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আরও স্বচ্ছ ও সাহসী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশের গণতন্ত্রে বিশ্বাসী জনগণ আপনাদের পাশে থাকবে। গণতন্ত্রে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলো আপনাদের পাশে থাকবে, যদি আপনাদের ভূমিকা আরো স্বচ্ছ এবং সাহসী হয়।”

শিক্ষার্থী ও তরুণ-তরুণীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, “আজকের তারুণ্যই আগামী বাংলাদেশ। ছাত্র তরুণরা অবশ্যই রাজনীতি করবেন। রাজনৈতিকভাবে সচেতন থাকবেন। ছাত্র-তরুণদের সাহসী অংশগ্রহণ ছাড়া বিশ্বের কোনো দেশেই স্বৈরাচার কিংবা ফ্যাসিবাদীর বিরুদ্ধে বিপ্লব বা গণঅভ্যুত্থান সফল হওয়ার উদাহরণ খুবই বিরল।” তবে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য জ্ঞান, বিজ্ঞান, মেধা, মনন, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হতে হবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, “বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে শুধু স্লোগাননির্ভর কিংবা প্রচলিত প্রথাগত রাজনৈতিক সংস্কৃতি দিয়ে ২০২৪ সালের শহীদ, ১৯৭১ সালের শহীদদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।” শহীদদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে চাইলে নিজেদের যোগ্য মানুষ ও যোগ্য নেতা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং ক্যাম্পাসে জ্ঞানের আলো উদ্ভাসিত রাখতে হবে। তিনি লেখাপড়াকে রাজনৈতিক কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার দিতে বলেন।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনা হবে সংসদে

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ত্বরান্বিত

আগামীকাল হচ্ছে না শাকসু নির্বাচন: হাইকোর্টের চার সপ্তাহের স্থগিতাদেশ

খালেদা জিয়ার জন্য দোয়ার ঢল–দেশজুড়ে উদ্বেগ ও প্রার্থনা

রাঙামাটিতে ইউপিডিএফের আস্তানায় সেনা অভিযান, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার

‘মাদকের অভয়ারণ্য’ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান: দিনে ৪০ কেজি গাঁজার রমরমা ব্যবসা

আইএমএফের নতুন তিন বছর মেয়াদি ঋণ কর্মসূচির প্রস্তাব

ইন্দোনেশিয়ায় বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ১৬

শিক্ষকদের আন্দোলনে স্থবির বার্ষিক পরীক্ষা কার্যক্রম

ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন’: রুমিন ফারহানাকে রিটার্নিং কর্মকর্তার তলব