সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আগামীকাল শুক্রবার (৬ জুন) চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। এই গ্রামগুলো প্রায় ৯৬ বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ উদযাপন করে আসছে।
ইতিমধ্যে হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবারসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে আগাম ঈদ উদযাপনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সাদ্রা দরবার মাঠে ঈদের প্রথম জামাতের ইমামতি করবেন দরবারের পীর জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানি। অন্যদিকে, সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল মাদরাসায় সকাল ৮টায় নামাজের ইমামতি করবেন সাদ্রা দরবারের পীর মাওলানা আরিফ চৌধুরী।
যেসব গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপিত হবে:
- হাজীগঞ্জ উপজেলা: সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর, বাসারা।
- ফরিদগঞ্জ উপজেলা: লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর।
- মতলব উপজেলা: দশানী, মোহনপুর, পাঁচানী।
- এছাড়াও কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলাসহ প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে এই আগাম ঈদ উদযাপন করা হবে।
এই প্রথার সূচনা:
আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ১৯২৮ সালে আগাম রোজা রাখাসহ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালনের এই নিয়ম চালু করেন সাদ্রা দরবারের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইসহাক চৌধুরী। প্রায় ৯৬ বছর ধরে চলে আসা এই প্রথার কারণে বর্তমানে অর্ধশত গ্রামের প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ একদিন আগে ঈদ উদযাপন করেন।



















