রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে টানা চতুর্থ দিনের মতো চিকিৎসাসেবা বন্ধ রয়েছে। এই অচলাবস্থার কারণে চিকিৎসা নিতে আসা শত শত রোগীকে ফিরে যেতে হচ্ছে, যা তাদের দুর্ভোগ বাড়াচ্ছে।
শনিবার সকালে হাসপাতালে গিয়ে সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালটিতে এখনো পিনপতন নীরবতা বিরাজ করছে। এর প্রধান দুটি গেট বন্ধ রয়েছে এবং ভেতরে কিছু পুলিশ সদস্য অলস বসে আছেন। সকাল থেকে অনেকে চিকিৎসা নিতে এলেও তাদের ফিরে যেতে দেখা গেছে।
চোখের সমস্যা নিয়ে আসা এক রোগী জানান, তিনি হাসপাতালটিতে সেবা বন্ধ থাকার বিষয়টি না জেনেই এসেছেন। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসার কারণ হিসেবে তিনি টাকার স্বল্পতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “এভাবে চললে আমরা চিকিৎসা কীভাবে নেব?”
জুলাই যোদ্ধাদের হামলায় অচলাবস্থা: আতঙ্কে হাসপাতাল ছাড়ছেন স্টাফরা
গত বুধবার নিরাপত্তার দাবিতে হাসপাতালটির চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি কর্মসূচিতে জুলাই গণআন্দোলনের আহত যোদ্ধারা হামলা চালায়। এই হামলায় চিকিৎসকসহ ১৫ জন স্টাফ আহত হন। ঘটনার পর আতঙ্কে চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হাসপাতাল ছেড়ে যান।
সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে হাসপাতালটিতে ৫০ জন জুলাই যোদ্ধা ভর্তি রয়েছেন। আত্মহত্যার চেষ্টা করা চারজন সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং একজন সিএমএইচে চিকিৎসাধীন। এছাড়া, প্রায় ১৫০ জন সাধারণ রোগী নিরাপত্তার অভাবে হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেছেন।
উল্লেখ্য, হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজার রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন।



















