মালয়েশিয়ায় প্রবাসী কর্মী পাঠানোর নামে ৩১৪ কোটি ৩৪ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পাঁচ রিক্রুটিং এজেন্সির ২৬ মালিক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলাগুলো ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে গতকাল দায়ের করা হয়, জানিয়েছেন দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন।
প্রথম মামলায় জিএমজি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোছা. মনিহার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মাওলা, পরিচালক মোজাম্মেল হোসেন, তাসফিয়া মাউন ও ইসলাইল হোসাইনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা সরকারি নির্ধারিত চার্জের বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া এবং ২ হাজার ৮৩০ জনকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর নামে ৪৭ কোটি ৪০ লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন।
দ্বিতীয় মামলায় দি জিএমজি এসোশিয়েট লিমিটেডের সাত কর্মকর্তা ৩ হাজার ২৩৯ জন কর্মীর কাছ থেকে ৫৪ কোটি ২৫ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত। তৃতীয় মামলায় কিউকে কুইক এক্সপ্রেস লিমিটেডের সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৫ হাজার ২৭৫ জন শ্রমিকের কাছ থেকে ৭১ কোটি ৬০ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
চতুর্থ মামলায় এম ই এফ গ্লোবাল বাংলাদেশ লিমিটেডের তিন কর্মকর্তা ৪ হাজার ৫৬৬ জনের কাছ থেকে ৭৬ কোটি ৪৮ লাখ ৫ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনায় অভিযুক্ত। পঞ্চম মামলায় ধামাসি করপোরেশন লিমিটেডের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৩ হাজার ৮৫৭ জনকে পাঠিয়ে ৬৪ কোটি ৬০ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে এ সংক্রান্ত ১২টি মামলা ইতিমধ্যে দায়ের করা হয়েছিল। দুদক জানিয়েছে, এই ধরনের চুক্তিবহির্ভূত কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ ও প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তারা কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।



















