অন্তর্বর্তী সরকার বেসামরিক বিমান চলাচল ও ট্রাভেল এজেন্সি নীতিমালা সংশোধনের দুটি অধ্যাদেশ অনুমোদন দিয়েছে। নতুন আইনে টিকিট বিক্রিতে প্রতারণা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, অননুমোদিত লেনদেন ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি—এসবকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও এক বছর কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে আকাশপথে যাত্রীরা বিশেষ করে অভিবাসী কর্মীরা নানা ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন। সংশোধিত আইন কার্যকর হলে ভ্রমণ সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
নতুন আইনে ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন বাতিল বা স্থগিতের জন্য ১১টি কারণ যুক্ত করা হয়েছে। অবৈধ টিকিট বিক্রি, বিদেশ থেকে টিকিট কেনাবেচা, অননুমোদিত গ্রুপ বুকিং পরিবর্তন—এসবও অপরাধের তালিকায় যুক্ত হয়েছে। এ ছাড়া সরকারের হাতে ‘বেসামরিক বিমান চলাচল অর্থনৈতিক কমিশন’ গঠনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা বিমানবন্দরের ফি ও ভাড়ার হার নির্ধারণে অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
সংশোধিত বিধানে বিদেশি ও দেশি এয়ারলাইনসের জন্য জিএসএ নিয়োগ ঐচ্ছিক করা হয়েছে এবং পরিবেশবান্ধব নীতির আওতায় কার্বন নিঃসরণ কমানো ও এসএএফ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিমান খাতে আধুনিক প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারও উৎসাহিত করা হয়েছে।



















