ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, তাকে এবং তার দল আওয়ামী লীগকে আত্মপক্ষ সমর্থনের ন্যায্য সুযোগ দেওয়া হয়নি।
ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় “পক্ষপাতদুষ্ট, একতরফা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত”। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই রায়ের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগকে দুর্বল করার কৌশল হিসেবে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।
পাঁচ পৃষ্ঠার লিখিত বিবৃতিতে শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, “আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনোটিই প্রমাণিত নয়। বরং বিচারপ্রক্রিয়া শুরু থেকেই পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়েছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন যে এই রায়ের লক্ষ্য মূলত আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে নিস্ক্রিয় করে দেওয়া।
ভারতে অবস্থান করে তিনি বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে তার দলের নেতাকর্মীরাও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য ‘অতি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত’।



















