২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ নার্স রীপা ফ্রান্সিসকো গোমেজের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর সহমর্মিতার বার্তা নিয়ে রাজধানীর মধ্যবাড্ডায় রীপা গোমেজের বাসায় গেছেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধিদল।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সংগঠনটির সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি মধ্যবাড্ডার বাজার গলিতে রীপা গোমেজের বাসায় যায়। এ সময় তাঁরা তাঁর শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন।
‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীপা গোমেজকে নিয়ে তৈরি একটি তথ্যচিত্র প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এরপর তিনি তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে রীপা গোমেজের খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিনিধিদলটি তাঁর বাসায় যায়।
এ সময় সংগঠনটির সদস্য মাসুদ রানা লিটন, ফরহাদ আলী সজীব, রুবেল আমিন এবং ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারেক রহমান ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে শারীরিক জটিলতায় রীপা
২০২৪ সালের ২১ জুলাই রাজধানীর রামপুরা ব্রিজের কাছে আন্দোলনে আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন নার্স রীপা ফ্রান্সিসকো গোমেজ। বর্ণনা অনুযায়ী, সেদিন সিসার ৪৭টি ছররা গুলি ও দুটি রাবার বুলেটের আঘাতে গুরুতর আহত হন তিনি।
সবচেয়ে গুরুতর আঘাতটি লাগে তাঁর ডান চোখে। এ ছাড়া একটি বুলেট তাঁর মাথার প্রায় ১৪ সেন্টিমিটার গভীরে আটকে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে দৃষ্টিশক্তির জটিলতাসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন রীপা। নিয়মিত চিকিৎসার ব্যয় বহনের পাশাপাশি শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে কাজের সুযোগও কমেছে তাঁর। নিজের চিকিৎসার খরচ জোগাতে অন্য রোগীদের সেবা দিয়ে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করছেন এই নার্স।


















