মঙ্গলবার , ৬ অক্টোবর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

জন্মনিবন্ধনে ভোগান্তি-জালিয়াতি, নাগরিক পরিচয়ের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ৬, ২০২৬ ৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

একটি জন্মনিবন্ধন সনদই একজন নাগরিকের প্রথম আইনি পরিচয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ ১৯টি অত্যাবশ্যকীয় সেবা পেতে প্রয়োজন হয় এই সনদ। অথচ জন্মনিবন্ধন করতে গিয়ে একদিকে সাধারণ নাগরিকদের পোহাতে হচ্ছে দীর্ঘসূত্রতা ও নানা ভোগান্তি, অন্যদিকে অর্থের বিনিময়ে তৈরি হচ্ছে অস্তিত্বহীন শিশুর জন্মনিবন্ধন, বদলে দেওয়া হচ্ছে বয়স ও পরিচয়। এমনকি রোহিঙ্গাদের নামেও বাংলাদেশের জন্মনিবন্ধন দেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে।

এ পরিস্থিতিতে নাগরিক সেবা ও জাতীয় তথ্যভান্ডারের নিরাপত্তা এবং নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জন্মনিবন্ধনের তথ্যেই যদি ভুল ও জালিয়াতির সুযোগ থাকে, তাহলে এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্টসহ অন্যান্য সরকারি নথি কতটা নির্ভরযোগ্য—সে প্রশ্নও সামনে এসেছে। এমন বাস্তবতার মধ্যেই আজ দেশে পালিত হচ্ছে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন দিবস।

জন্মনিবন্ধনে ভোগান্তির অভিযোগ

মেয়েকে স্কুলে ভর্তির জন্য জন্মনিবন্ধন করতে গিয়ে দীর্ঘ ভোগান্তির শিকার হন সাবরিনা জান্নাত আরা। মেয়ের জন্মনিবন্ধনের জন্য স্বামীর জন্মনিবন্ধন করতে গেলে ঢাকার সংশ্লিষ্ট কার্যালয় থেকে তাঁকে স্বামীর জন্মস্থানে যোগাযোগ করতে বলা হয়। সেখানে জানানো হয়, স্বামী ঢাকার ভোটার হওয়ায় আগে ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে হবে।

ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য আবার চাওয়া হয় ১৬ বছর আগে মারা যাওয়া শ্বশুরের মৃত্যু সনদ। একের পর এক জটিলতার মধ্যে শেষ পর্যন্ত তাঁকে ‘টাকা দিলে সব হয়ে যাবে’ ধরনের প্রস্তাবের মুখোমুখি হতে হয়। নিজের জন্মনিবন্ধনের তথ্য সংশোধন করতেও একই ধরনের ভোগান্তিতে পড়েন তিনি। পরে দালালের মাধ্যমে বাড়তি টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয় বলে অভিযোগ তাঁর।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর ফেসবুকে নিজের ভুলে ভরা জন্মনিবন্ধন সনদ প্রকাশ করে ক্ষোভ জানান সাবরিনা। তাঁর অভিযোগ, পুরোনো মূল সনদে নামের তথ্য সঠিক থাকলেও সরকারি অনলাইন ব্যবস্থায় তাঁর ও বাবার নামের বাংলা বানান ভুলভাবে যুক্ত করা হয়েছে। তাঁর নামের ‘সুবর্ণা’র পরিবর্তে ‘সুর্বনা’ এবং বাবার নাম ‘এনায়েত’-এর পরিবর্তে ‘এনায়েম’ লেখা হয়েছে। ভুলটি তিনি না করলেও সংশোধনের জন্য কেন তাঁকেই সময়, অর্থ ও ভোগান্তির দায় নিতে হবে—সে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জন্মনিবন্ধনের আবেদনের পাশাপাশি সংশোধনের আবেদনও বিপুল। গত ১১ মে জন্মনিবন্ধনের আবেদন করেন ৩০ হাজার ৪১ জন। একই দিনে সংশোধনের আবেদন করেন ২৫ হাজার ৩৩৭ জন। অর্থাৎ, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ জন্মনিবন্ধনের তথ্য সংশোধনের জন্যও আবেদন করছেন।

একাধিক জন্মনিবন্ধন, বদলে যাচ্ছে বয়স-পরিচয়

জন্মনিবন্ধন ব্যবস্থায় ভুল-ত্রুটির পাশাপাশি জালিয়াতির ঘটনাও সামনে এসেছে। ঢাকার ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাশেম আলীর ছদ্মনামে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর এক সন্তান থাকলেও জন্মনিবন্ধন সার্ভারে ওই সন্তানের তথ্য রয়েছে দুবার। একটিতে বয়স ১৮ এবং অন্যটিতে ২১ বছর।

গত বছর ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর জন্য বয়স বাড়িয়ে দ্বিতীয় জন্মনিবন্ধন তৈরি করা হয় বলে জানা গেছে। এ জন্য দালালকে দিতে হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। স্কুলে ভর্তির সময় ভুয়া টিকা কার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় বা তৃতীয় জন্মনিবন্ধন করার ঘটনাও ঘটছে। বাল্যবিয়ের ক্ষেত্রেও বয়স বাড়িয়ে ভুয়া জন্মনিবন্ধন তৈরির অভিযোগ রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের ১৯ বছর বয়সী রোমান বিয়ে না করলেও জাতীয় জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন তথ্যভান্ডারে মৌসুমী নামে ১৮ বছর বয়সী এক স্ত্রী রয়েছে। সেখানে তাঁদের ১৯ সন্তানের তথ্যও পাওয়া যায়। অর্থাৎ, তথ্যভান্ডারের হিসাবে রোমান বিয়ে না করেই প্রতি বছর একটি করে সন্তানের বাবা হয়েছেন এবং মৌসুমী ১৮ বছর বয়সেই ১৯ সন্তানের মা হয়েছেন।

গত বছরের শেষ দিকে বিষয়টি সামনে আসে। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাঁচটি ইউনিয়নের ৫০৯টি জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন যাচাই করে ব্যাপক জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ার কথা জানা যায়। বাস্তবে জন্ম না নেওয়া শিশুর জন্ম ও পরবর্তী সময়ে তার মৃত্যুর তথ্য, মৃত মায়ের সন্তান জন্ম এবং একই নারীর একাধিক স্বামী দেখিয়ে সন্তান জন্মের তথ্যও পাওয়া যায়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০১৩ সালের পর জন্ম নেওয়া শিশুর জন্মনিবন্ধনের ক্ষেত্রে মা-বাবার জন্মনিবন্ধন প্রয়োজন হওয়ায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে ইউপি কার্যালয়ের ডেটাবেজে থাকা প্রকৃত ব্যক্তিদের তথ্য ব্যবহার করে শিশুর নামে ভুয়া জন্মনিবন্ধন তৈরি করা হচ্ছে। কখনো অর্থের বিনিময়ে, আবার কখনো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্যও এমন জাল নিবন্ধনের অভিযোগ রয়েছে।

রোহিঙ্গাদের নামেও জন্মনিবন্ধন

২০২৩ সালে চট্টগ্রামে একটি জালিয়াতচক্র গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জানতে পারে, চক্রটি সাত-আট মাসে অর্থের বিনিময়ে পাঁচ হাজারের বেশি জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করেছে।

এর আগে ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনের অফিশিয়াল সার্ভার আপগ্রেডেশনের জন্য বন্ধ থাকার সময়ও ১৮টি জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যু করা হয়। এর মধ্যে ১২টি রোহিঙ্গাদের নামে দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। এ ঘটনায় জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের এক কর্মীসহ চারজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।

কক্সবাজারের চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব মো. নূরুল আলম চার রোহিঙ্গার নামে জন্মনিবন্ধন দেওয়ার দায়ে গত আগস্টে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।

শতভাগ নিবন্ধনের লক্ষ্য

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ জন্মনিবন্ধন নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে দেশে বছরে প্রায় ৩২ লাখ শিশুর জন্ম হয়। তবে শতভাগ নিবন্ধনের লক্ষ্যের মধ্যেও ভুয়া ও ‘গায়েবি’ শিশুর জন্মনিবন্ধনের মতো অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জন্মের সঙ্গে শিশুর পরিচয় নিশ্চিত করতে বায়োমেট্রিক তথ্য যুক্ত করা হলে জালিয়াতির সুযোগ কমানো সম্ভব। জন্মের আগে প্রায় ২৪ সপ্তাহের মধ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মৌলিক গঠন তৈরি হয় এবং জন্মের পর তা আজীবন অপরিবর্তিত থাকে।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যালয়ের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. আবু নছর মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, জন্মনিবন্ধনের সঠিকতা নাগরিক সেবা প্রাপ্তি এবং ডিজিটাল সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে বিদেশ যাওয়ার সুবিধা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে বয়স ও নাম পরিবর্তন করে ভুয়া জন্মনিবন্ধন তৈরি করেন।

তিনি বলেন, সরকার এনআইডি ও পাসপোর্টের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান করায় এ ধরনের জালিয়াতি দ্রুত শনাক্ত হচ্ছে। একাধিক জন্মনিবন্ধন থাকলে পরবর্তী সময়ে পাসপোর্ট ও এনআইডি তৈরিসহ বিভিন্ন আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়।

জালিয়াতি বন্ধে দ্বৈত নিবন্ধন বাতিল করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। একই সঙ্গে জন্মনিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও সুরক্ষিত করতে নতুন সফটওয়্যারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান রেজিস্ট্রার জেনারেল।

জনপ্রতিনিধি না থাকায় বেড়েছে ভোগান্তি

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের অনেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ইউপি চেয়ারম্যান অনুপস্থিত থাকায় জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা পেতে ভোগান্তি বেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ওয়ার্ড পর্যায়ে জন্মনিবন্ধনের আবেদন, তথ্য সংশোধন ও সনদ সংগ্রহে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছে।

মিরপুরের বাসিন্দা ইয়াসির আরাফাতের অভিযোগ, আগে ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়কেন্দ্রিকভাবে নাগরিক সেবা পাওয়া গেলেও এখন জন্মনিবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সনদ নিতে দিনের পর দিন কার্যালয়ে যেতে হচ্ছে। বিভিন্ন দালাল ও কর্মচারীকে অর্থ দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

রাজধানীর কয়েকটি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনলাইনে আবেদন করার পরও কাগজপত্র যাচাই, তথ্য সংশোধন ও সনদ সংগ্রহের জন্য সরাসরি কার্যালয়ে যেতে হচ্ছে। ধানমন্ডির বাসিন্দা সামিয়া আরেফিন বলেন, সন্তানের জন্মনিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও দ্রুত সনদ পাওয়া যায়নি। স্কুলে ভর্তির সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও তাঁকে একাধিকবার কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হয়েছে। পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতার হস্তক্ষেপে সমস্যার সমাধান হয় বলে জানান তিনি।

তবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচিত কাউন্সিলর না থাকলেও জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন কার্যক্রম চালু রয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিয়মিত সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য সঠিক থাকলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন নিষ্পত্তি করা হচ্ছে বলে জানান তাঁরা।

গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এ বি এম জুবায়ের বলেন, সুশাসন নিশ্চিত করার অন্যতম শর্ত হলো নাগরিকদের নির্ভুল ও সর্বজনীন তথ্য সংরক্ষণ। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ সংস্কার করে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধনের বাধ্যতামূলক দায়িত্ব দিলে ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ নিবন্ধনের লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে।

স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব

গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর বাংলাদেশের কান্ট্রি লিড মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ মানুষের জন্মনিবন্ধন নিশ্চিত করা জরুরি। তবে নানা কারণে বাংলাদেশে এ লক্ষ্য ব্যাহত হচ্ছে।

তাঁর মতে, জন্মনিবন্ধনের হার বাড়াতে ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪’ সংস্কার প্রয়োজন। পরিবারের ওপর একক দায় না রেখে সব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে সরাসরি জন্মনিবন্ধনের দায়িত্ব দেওয়া উচিত।

মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুসের দাবি, বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের গড় হার যথাক্রমে ৫০ ও ৪৭ শতাংশ। অর্থাৎ এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ নিবন্ধনের বাইরে। এর পাশাপাশি দ্বৈত নিবন্ধনের সমস্যাও রয়েছে। বাল্যবিয়ে, স্কুলে ভর্তি কিংবা বিদেশযাত্রাসহ বিভিন্ন কারণে কেউ কেউ বয়স কমিয়ে বা বাড়িয়ে একাধিক জন্মনিবন্ধন করছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশুর জন্ম হয়। আইন সংশোধন করে এসব প্রতিষ্ঠানকে জন্মনিবন্ধনের দায়িত্ব দেওয়া হলে বিপুলসংখ্যক শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে ও নির্ভুলভাবে নিবন্ধনের আওতায় আসবে। এতে তথ্য বিকৃতি এবং ভুয়া বা ভুল নিবন্ধনের সুযোগ কমবে।

তাঁর মতে, হাসপাতালগুলোতে নিবন্ধনের ব্যবস্থা থাকলে একই শিশুর একাধিক জন্মনিবন্ধন তৈরির সুযোগও কমে যাবে। একই সঙ্গে সরকার সব নাগরিকের জন্য একক আইডি চালুর পরিকল্পনা করছে। এটি বাস্তবায়িত হলে পরিচয়সংক্রান্ত অনেক জটিলতা কমানো সম্ভব হবে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে চায়ের আড্ডায় ৭ ‘মৃত’ ভোটার

এনসিপি ড. ইউনূসের দল, বললেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদ উর রহমান

শিক্ষা ব্যবস্থায় টেকসই পরিবর্তন আনতে সময় প্রয়োজন: ববি হাজ্জাজ

এইচএসসি পরীক্ষার কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার জন্য দোয়ার ঢল–দেশজুড়ে উদ্বেগ ও প্রার্থনা

বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক: উন্নয়ন, অতি-নির্ভরতা ভারসাম্যের সমীকরণ

দুই কোটির বেশি শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আনন্দমিছিল নয়, দোয়া ও প্রার্থনায় অংশ নিতে আহ্বান বিএনপির

চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি

ফরিদপুরে তিন খুনের আসামি গ্রেফতার