প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল-হামুদি। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পৃথক এই সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রথমে সাক্ষাৎ করেন চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। উপ-প্রেস সচিব জানান, এটি ছিল তাঁর বিদায়ী সাক্ষাৎ। বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় চীনের সমর্থন অব্যাহত রাখার কথা জানান। একই সঙ্গে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ এবং নিউইয়র্কে তাঁর বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানান চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত।
২০২৩ সাল থেকে বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন ইয়াও ওয়েন। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে তাঁর মেয়াদ শেষ হয়েছে।
সাক্ষাতের সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন উপস্থিত ছিলেন।
পরে একই স্থানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল-হামুদি।
উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, বৈঠকে বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, বাংলাদেশি দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং জ্বালানি, অবকাঠামো, এভিয়েশন, তথ্যপ্রযুক্তি, রেলওয়ে ও লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


















