সোমবার , ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

২৪ ঘণ্টা পরও আদালতে হাজির না করলে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য হতে পারে: চিফ প্রসিকিউটর

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ৫:০২ অপরাহ্ণ

Spread the love

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে আটক করার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করে গ্রেপ্তার দেখানো না হলে ২৪ ঘণ্টা পরের সময়কে গুমের ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, কোনো ব্যক্তিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করার পর আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে। তা না হলে বিষয়টি সাধারণ আটক হিসেবে বিবেচিত হওয়ার সুযোগ কমে যায়। বিশেষ করে ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার পরও ব্যক্তির অবস্থান সম্পর্কে তথ্য না দেওয়া হলে গুমের অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এ ক্ষেত্রে আটক ব্যক্তির আইনগত অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবারের কাছে তার অবস্থান জানানোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পাস হয়। নতুন আইনকে গুমের অভিযোগের বিচার ও প্রতিকারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত মাইলফলক।

তিনি বলেন, এর আগে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের বিষয়ে একটি অধ্যাদেশ থাকলেও সেটির কার্যকর প্রয়োগ দৃশ্যমান হয়নি। নতুন আইনের মাধ্যমে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের বিচার এবং প্রতিকার পাওয়ার পথ আরও সুস্পষ্ট হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, অতীতে সংঘটিত গুমের অভিযোগগুলোও নতুন আইনের আলোকে পর্যালোচনা করা হবে। এর ফলে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

একই সঙ্গে নতুন ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’-এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইনের কোনো সাংঘর্ষিক অবস্থান তৈরি হবে না বলেও জানান তিনি।

এদিকে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত ২৫১টি গুমের ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে তদন্ত করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। এসব ঘটনায় একই ধরনের পদ্ধতি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনাগুলোকে ‘ব্যাপক ও পদ্ধতিগত হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের জবানবন্দি নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

নয়াপল্টনে তারুণ্যের গর্জন: নির্বাচন নিয়ে কোনো ছাড় নয়, হুঁশিয়ারি বিএনপির

প্রশাসনের ফ্যাসিস্ট দোসরদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে

ফাঁস হওয়া ফোনালাপের দায়ে পদচ্যুত হয়েছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পের সংবর্ধনায় যোগ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

যে যে কেন্দ্রে ভোট দেবেন তারেক রহমান ও শফিকুর রহমান

মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় সৌদি আরবের অভেদ্য আকাশ প্রতিরক্ষা বলয়

ফ্রান্সে কাপড়ের ব্যাগে লুকিয়ে কারাগার ত্যাগ, কর্তৃপক্ষের গাফিলতি স্বীকার

১৬ ডিসেম্বর আমাদের অহংকার, আমাদের পরিচয় : শুভ বিজয় দিবস।

‘গণতন্ত্র নিয়ে খেলা নয়, ঐক্যবদ্ধ হোন’—ডা. জাহিদ হোসেন

কাঁচামরিচের কেজি ৪০০ টাকা, ঊর্ধ্বমুখী সবজির বাজার