বৃহস্পতিবার , ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

নেপালে বন্যায় ধ্বংস, ২০ হাজার পরিবারকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ৫:৪১ অপরাহ্ণ

Spread the love

নেপালে হিমবাহ ধসের পর ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর প্রায় ২০ হাজার পরিবারকে নতুন করে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার।

বৃহস্পতিবার নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান ধর্মরাজ উপ্রেতি জানান, প্রাথমিক হিসাবে অন্তত ৭ হাজার ৫০০ বাড়িঘর পুরোপুরি ধসে গেছে কিংবা কাদা ও পলির নিচে চাপা পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার অনেক বাড়ি কাঠামোগতভাবে অক্ষত থাকলেও বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

তার মতে, চীন সীমান্তসংলগ্ন বেশ কয়েকটি জনপদ পলি ও কাদার স্তরের নিচে চাপা পড়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২০ হাজার পরিবারকে ঝুঁকিপূর্ণ পুরোনো এলাকা থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নতুন করে বাড়ি নির্মাণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতোমধ্যে নিরাপদ এলাকা চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।

এদিকে ভয়াবহ এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২০৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও ৪ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে উদ্ধারকারী দলগুলোর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানিয়েছেন, নিখোঁজদের সন্ধানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে কাজ করছে। বিশেষ করে ‘আপার ত্রিশূলী-১’ প্রকল্প এলাকায় দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বিশেষায়িত উদ্ধারকারী দল ড্রোন, প্রশিক্ষিত কুকুর, শাব্দিক তরঙ্গ শনাক্তকারী সরঞ্জাম ও থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা ব্যবহার করে নিখোঁজ শ্রমিকদের সন্ধান চালাচ্ছে। সেখানে নিখোঁজ নয়জন কোরীয় কর্মীসহ অন্য শ্রমিকদের উদ্ধারে জোর তৎপরতা চলছে।

দুর্যোগের পর স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে শিশুদের শিক্ষাব্যবস্থাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র ও নিরাপদ ভবনে পাঠদান পুনরায় চালুর চেষ্টা করছেন শিক্ষকরা।

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, অন্তত ২২ হাজার শিশু নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার সংকটে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ অবস্থায় শিশুদের জন্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ভবিষ্যতে সীমান্তবর্তী এলাকায় এ ধরনের দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপাল সরকার। ভূমিকম্প পরিমাপক সেন্সর, ক্যামেরা ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ সমন্বিত আন্তর্জাতিক মানের একটি সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

দীর্ঘ চার মাসের অনিশ্চয়তা কেটে দেশে ফিরলেন ১৭ নাবিক, বিমানবন্দরে স্বস্তির পুনর্মিলন

আজ টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে দেশের যেসব এলাকায়

নির্বাচন কে করবে, না করবে এটা আদালত ও ইসির বিষয়: বিএনপি

ছাত্র উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে শতকোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ নুরের

যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে মাদ্রাসার ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগ

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের প্রতি ডা. শফিকুর রহমানের আহ্বান

আরব সাগরে বন্দর নির্মাণে যুক্তরাষ্ট্রকে পাকিস্তানের প্রস্তাব

বিদায় উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ

মহামারি প্রতিরোধে সরকারের প্রস্তুতি ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারের ঘোষণা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

ইরানে অস্থিতিশীলতা: ‘এই মুহূর্তে দেশ ছাড়ুন’ নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের