রাজধানী ঢাকার একাধিক ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে রক্তক্ষয়ী মুখোমুখি সংঘর্ষের জের ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আরও চার বড় জেলায়। ঢাকার জবি, সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ ও ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে থমথমে উত্তেজনা বিরাজ করার পরপরই নারায়ণগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, বরিশাল ও পাবনার চার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারিতে লিপ্ত হয়। পরিস্থিতি পুরোপুরি বেসামাল হয়ে পড়লে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে নতুন করে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রতিটি স্পটে নিবিড় নজরদারি জারি রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থান দিবস’-এর অনুষ্ঠানসূচিতে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বাগবিতণ্ডা রূপ নেয় রণক্ষেত্রে, যাতে উভয়পক্ষের প্রায় ২০ কর্মী আহত হন। অন্যদিকে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসনের কর্মসূচিতে পানিসম্পদ মন্ত্রীকে নিয়ে দেওয়া মন্তব্য ও দাওয়াত না পাওয়ার ক্ষোভ থেকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতেই চরম হট্টগোল ও হাতাহাতি বেঁধে যায়। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত প্রবেশ ও মিছিলে বাধা দেওয়ার পরস্পরবিরোধী অভিযোগে ছাত্রদল-শিবিরের দুই দফা সংঘর্ষে ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি সহ ২০ জন আহত হয়েছেন। পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কদের বাদ দিয়ে ‘ফ্যাসিস্টদের দোসরদের’ নিয়ে অনুষ্ঠান করার প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভের মুখে অফিসিয়াল আলোচনা সভা পণ্ড হয়ে যায়।


















