বুধবার , ১৫ জুলাই ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

বন্যা ও অতিবৃষ্টির ধ্বংসযজ্ঞ: শত কোটি টাকার ক্ষতি, সাপের উপদ্রব

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ১৫, ২০২৬ ৭:০২ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

টানা অতিভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও বন্যার পানি কমতে শুরু করার সাথে সাথেই দেশের বিভিন্ন জেলায় ভেসে উঠছে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ও ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতচিহ্ন. আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষ নিজ ভিটায় ফিরলেও ঘরগুলো এখনো বসবাসের সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত, বিশেষ করে অসংখ্য মাটির ঘর ধসে পড়েছে. দুর্গত এলাকাগুলোতে এখন দেখা দিয়েছে তীব্র খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট, যার সাথে যুক্ত হয়েছে সাপের মারাত্মক উপদ্রব. বন্যায় সবচেয়ে বেশি বিপর্যয় ঘটেছে পর্যটন জেলা কক্সবাজারে, যেখানে জেলা প্রশাসনের প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পাহাড়ধস ও বন্যাজনিত কারণে ১৪ জন রোহিঙ্গাসহ মোট ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে. জেলাটিতে ১ হাজার ৬১৩টি বসতবাড়ি, ২ হাজার ৪৮ কিলোমিটার সড়ক এবং ৭৯টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৯০ কোটি টাকা. বন্যার পানিতে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার ৯৫ শতাংশ এবং মাতামুহুরী ও চকরিয়ার ৮০ শতাংশের বেশি এলাকা প্লাবিত হয়েছে, যাতে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি পরিবার চরম বিপদে পড়েছেন. পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, জেলার ৩৮০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ৪৪টি স্থান ভেঙে গেছে.

চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলায় ৫ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত বন্যার পানিতে সাপের কামড়ে আহত হয়েছেন ৯৬ জন. শঙ্খিনী, গোখরা, কালাচ ও পদ্মগোখরার মতো বিষধর সাপের উপদ্রব বাড়ায় সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রাখা হয়েছে. দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও আনোয়ারা উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনো গ্রামীণ সড়কগুলো পানির নিচে রয়েছে এবং ধসে পড়া মাটির ঘরের কারণে মানুষ ঘরে ফিরতে পারছেন না. এছাড়া দুর্গম এলাকায় পর্যাপ্ত সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ না পৌঁছানোর কারণে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হাহাকার দেখা দিয়েছে. পার্বত্য জেলাগুলোর মধ্যে রাঙামাটিতে কৃষি ও গবাদিপশুর খামারে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৫১ কোটি টাকা, যেখানে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন. খাগড়াছড়িতে কৃষি ও মৎস্য খাতে ৭ হাজার ৩৪৩ জন এবং বান্দরবানে ২ হাজার ১০৪ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হওয়ায় ৫ হাজার ৩২৩ জন কৃষকের তালিকা করা হয়েছে.

উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলেও বৃষ্টির পানিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে. বগুড়ায় অতিবৃষ্টি ও বন্যায় ৪১৭ হেক্টর জমির আউশ, আমন বীজতলা ও সবজি খেত তলিয়ে গেছে, যার মধ্যে সারিয়াকান্দি উপজেলার ৩ হাজার ২০০ কৃষক সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন. খুলনায় ৩৪০ হেক্টর এবং বাগেরহাটে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি খুলনায় টানা বৃষ্টিতে ভেসে গেছে ৬৫০টি ঘের ও ১৬২টি পুকুর, যাতে প্রায় ২ কোটি টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে. গোপালগঞ্জে ৩০৬ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে ১ হাজার ৩৬০ জন সবজি চাষি সংকটে পড়েছেন. অন্যদিকে, মৌলভীবাজারে মৎস্য খাতে ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা এবং হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে ৩৫টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় কৃষি ও মৎস্য খাতে ক্ষয়ক্ষতি ৭০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে. উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীতে সাগরে ট্রলার ডুবে ৫ জেলের মৃত্যু হয়েছে এবং সেখানে মাছের ঘের ও পুকুর তলিয়ে প্রায় ৭ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি রেকর্ড করা হয়েছে.

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

সাবেক গভর্নর-ডেপুটিদের ব্যাংক হিসাবের খোঁজে বিএফআইইউ

নামসর্বস্ব চালের বিক্রি বন্ধে কঠোর হচ্ছে সরকার, বাজার থেকে সরাতে তিন ধাপের উদ্যোগ

অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক ছাড় দেওয়া হবে না, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের

সাত দিন পর অফিস খুলতেই সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অত্যন্ত দুর্বল প্রকৃতির হয়ে থাকে : ইশরাক হোসেন

স্কটল্যান্ডকে ৯০ রানে হারিয়ে বাংলাদেশের টানা ষষ্ঠ জয়

যশোর-৪ আসনের এমপি গোলাম রসুলের বাসভবনে হামলা ও সড়ক অবরোধ

মহাখালীতে পেট্রোল পাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্ক

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এনসিপির ১০০ প্রার্থী ঘোষণা: এককভাবে লড়ার প্রস্তুতি

হাসিনাসহ ১৭ জনের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা