শনিবার , ১১ জুলাই ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা ছিল না শেখ মুজিবের, তাই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ১১, ২০২৬ ১২:০০ অপরাহ্ণ

Spread the love

১৯৭১ সালে পাকিস্তান ভাঙার কোনো ইচ্ছা বা বিচ্ছিন্নতাবাদী হওয়ার কোনো বাসনা শেখ মুজিবুর রহমানের ছিল না এবং ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত ক্র্যাকডাউনের আগে তাজউদ্দীন আহমেদের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি স্বাধীনতার কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আজ শনিবার (১১ জুলাই, ২০২৬) ঢাকাস্থ ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)’ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ইতিহাস ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই ঐতিহাসিক তথ্য তুলে ধরেন।

স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সেই উত্তাল রাতের ঘটনাপ্রবাহ স্মরণ করে বলেন, “তাজউদ্দীন সাহেব নিজে শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে গিয়ে অনুনয় করে বলেছিলেন—পাকিস্তানি সেনারা দেশজুড়ে নারকীয় আক্রমণ করতে যাচ্ছে, বাংলার সাধারণ মানুষ এখন পূর্ণ স্বাধীনতা চায়। কিন্তু শেখ সাহেব অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় তখন বলেছিলেন, ‘আমি বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে পারি না, পাকিস্তান রাষ্ট্র ভাঙার পেছনে আমার কোনো অবদান থাকুক এটি আমি মোটেও চাই না।’ আর এই অনমনীয় অবস্থানের কারণেই তিনি সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন।”

‘দিশাহীন জাতির ক্রান্তিলগ্নে মেজর জিয়ার ঘোষণা ছিল প্রকৃত সত্য’

জাতীয় সংসদের স্পিকার তাঁর বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা লগ্নে সামরিক বাহিনীর সাহসী ভূমিকা ও বিদ্রোহের চিত্র তুলে ধরে বলেন, পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত ও অতর্কিত আক্রমণের মুখে যখন গোটা বাঙালি জাতি সম্পূর্ণ দিশেহারা এবং অবদমিত হওয়ার চূড়ান্ত উপক্রম হয়েছিল, ঠিক তখনই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি বীর সন্তানেরা অসীম সাহসের সাথে প্রথম অস্ত্র হাতে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তিনি জোর দিয়ে বলেন:

“জাতির সেই চরম সংকটময় ও অন্ধকার মুহূর্তে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপ-অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তাঁর এই ঐতিহাসিক ও সাহসী ঘোষণাটিই মরণপণ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে পুরো বাঙালি জাতিকে উদ্দীপ্ত, উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত করেছিল। আর এটিই হলো আমাদের ইতিহাসের প্রকৃত সত্য, যা কোনোভাবেই মুছে ফেলা সম্ভব নয়।”

ইতিহাস বিকৃতি ও রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা

মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ কোনো নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দলের একক যুদ্ধ ছিল না, এটি ছিল এ দেশের আপামর শোষিত জনতার এক সর্বাত্মক জনযুদ্ধ। তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে সচেতনভাবে ইতিহাস বিকৃতির মহোৎসবে মেতে উঠেছিল। তারা শুধু ৭ই মার্চের ভাষণের ওপর ভিত্তি করে মুক্তিযুদ্ধের একক কৃতিত্ব নিজেদের পকেটে পুরতে চেয়েছিল, যা ছিল ইতিহাসের প্রতি চরম অন্যায় ও অবিচার। তাঁর মতে, আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরা সাধারণত অন্যের প্রকৃত কৃতিত্ব হাইজ্যাক করতে অভ্যস্ত এবং তারা নিজেদের দলের নির্দিষ্ট নেতা ছাড়া অন্য কাউকেই দেশের ইতিহাসের পাতায় ন্যূনতম কৃতিত্ব বা স্থান দিতে চান না।

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবগাথা ও সেনাবাহিনীতে যোগদানের স্মৃতি

মুক্তিযুদ্ধের সামরিক প্রেক্ষাপটইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান ও ঐতিহাসিক ভূমিকা (১৯৭১)
ব্যাটালিয়নের সংখ্যাতৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে রেজিমেন্টের মাত্র ৫টি সক্রিয় ব্যাটালিয়ন ছিল।
তাত্ক্ষণিক বিদ্রোহ২৫ মার্চ রাতে কোনো পূর্বপরিকল্পনা বা যোগাযোগ ছাড়াই বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে বিদ্রোহ ঘোষণা।
যুদ্ধের মূল ভিত্তিসামরিক অফিসার ও সৈনিকদের এই তাৎক্ষণিক প্রতিরোধই ছিল ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মূল ভিত্তি।
প্রধান সংগঠক ও কমান্ডাররেজিমেন্টের প্রধান সংগঠক মেজর আব্দুল গনি ও চট্টগ্রামের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার এম আর মজুমদার

বক্তব্যের শেষভাগে নিজের সেনাবাহিনীতে যোগদানের রোমাঞ্চকর স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান, তিনি মূলত কৈশোরে ফুটবল খেলার প্রতি প্রবল টানেই তৎকালীন সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। আর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের পেছনে মূল অনুপ্রেরণা ছিলেন স্বয়ং মেজর জিয়াউর রহমান। তিনি অত্যন্ত গভীর শ্রদ্ধার সাথে দেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করেন, যিনি তাকে এই ঐতিহ্যবাহী রেজিমেন্টে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। একই সাথে তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রধান সংগঠক মেজর আব্দুল গনি এবং ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের রেজিমেন্ট কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুর রহমান মজুমদারের ঐতিহাসিক অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে বর্তমান সেনাবাহিনীতে সৈনিকদের সাথে অফিসারদের চিরাচরিত আত্মিক বন্ধন পুনরায় শক্তিশালী করার উদাত্ত আহ্বান জানান।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

আগামী বৃহস্পতিবার নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

যৌথবাহিনীর অভিযান: মাদক ব্যবসায়ী আটক ৪

ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি: ‘সমঝোতায় না এলে ইরানে কেউই অবশিষ্ট থাকবে না’

১৪ বছর পর চালু হলো ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে ক্যাবিনেট ও এমপিদের জোরালো চাপ

শোলাকিয়া ঈদগাহের নিরাপত্তায় কাজ করবে ১১০০ পুলিশ সদস্য

ছাত্র-জনতার বিজয় ১৭ বছরের ক্ষোভের ফল: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

নির্বাচনকে বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে মাদক কারবারিদের গোলাগুলি, নিহত ১