মঙ্গলবার , ২৩ জুন ২০২৬ | ৯ই আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

তারেক রহমানের চীন সফর ঘিরে বেইজিংয়ের উচ্চ প্রত্যাশা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ২৩, ২০২৬ ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান চীন সফরকে একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে বেইজিং। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ শক্তিশালী করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে আরও এগিয়ে নিতে চায় চীন। সোমবার বেইজিংয়ে আয়োজিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। চীনের স্টেট কাউন্সিলের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের বিশেষ আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই গুরুত্বপূর্ণ সফর করছেন। সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট দালিয়ান ঝুশুইজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

শীর্ষ নেতাদের সাথে বৈঠক ও সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ

চীঙ্গা সংবাদমাধ্যম ‘চায়না ডেইলি’র এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র গুও জিয়াকুন জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটাই প্রথম বিদেশ সফর এবং তিনি প্রথম গন্তব্য হিসেবে চীনকে বেছে নিয়েছেন। এই সফরকালে চীনের শীর্ষ নেতৃত্ব বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং (কিয়াং) এবং জাতীয় গণকংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সাথে পৃথকভাবে দ্বিপক্ষীয় সাক্ষাৎ ও বৈঠকে মিলিত হবেন। এসব বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানাদিক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে গভীর মতবিনিময় হবে, যা মূলত চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করবে। এছাড়া, সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দালিয়ান শহরে অনুষ্ঠিতব্য ‘সামার দাভোস ২০২৬’ (নিউ চ্যাম্পিয়নস) সম্মেলনেও অংশ নেবেন।

বিআরআই ও ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদার

চীন ও বাংলাদেশকে ঐতিহ্যগতভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী এবং ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতার অংশীদার উল্লেখ করে গুও জিয়াকুন বলেন, বিগত বছরগুলোতে দুই দেশের রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বেইজিং প্রত্যাশা করছে, এই সফরের মাধ্যমে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এর আওতায় উচ্চমানের সহযোগিতা আরও ত্বরান্বিত হবে। সব খাতে পারস্পরিক যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিনিময় ও বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে, যা দুই দেশের জনগণের জন্যই দৃশ্যমান সুফল বয়ে আনবে। পাশাপাশি বহুপক্ষীয় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতেও দুই দেশ আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করবে বলে বেইজিং আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

সূত্র: চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

সর্বশেষ - অপরাধ