বুধবার , ১০ জুন ২০২৬ | ৪ঠা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪০৪ মিলিয়ন ডলারের ঋণ ও অনুদান চুক্তি স্বাক্ষর

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ১০, ২০২৬ ৩:১৬ অপরাহ্ণ

Spread the love

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বিশাল ঋণ ও অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং বিশ্বব্যাংকের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে ঢাকাস্থ কার্যালয়ের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ)-এর অর্থায়নে ‘হেলথ, নিউট্রিশন অ্যান্ড পপুলেশন সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এইচএনপিএডিপি)’ বাস্তবায়নের জন্য এই বড় অঙ্কের তহবিল দেওয়া হচ্ছে।

অর্থায়নের উৎস ও ঋণের শর্তসমূহ

ইআরডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৪০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই মোট প্যাকেজটি ঋণ এবং অনুদানের একটি সমন্বিত রূপ:

  • ঋণ সহায়তা: বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ২৮৪ দশমিক ৭০ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (SDR) বা সমপরিমাণ ৩৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ হিসেবে দেবে।
  • অনুদানের পরিমাণ: গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি (GFF) থেকে সম্পূর্ণ অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে আরও ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
  • পরিশোধের মেয়াদ ও সুদ: ৩৭৯ মিলিয়ন ডলারের এই ঋণটি ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে। ঋণের উত্তোলিত অর্থের ওপর বার্ষিক ০.৭৫% হারে সার্ভিস চার্জ এবং ১.২৫% হারে সুদ প্রযোজ্য হবে। এছাড়া অনুত্তোলিত ঋণের ওপর বার্ষিক ০.৫০% হারে কমিটমেন্ট ফি প্রযোজ্য থাকার কথা থাকলেও বিশ্বব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে চলতি অর্থবছরসহ এই ফি আদায় থেকে বিরত রয়েছে।

বাস্তবায়নাধীন দুটি মেগা প্রকল্প

এই বিশাল অর্থায়নের আওতায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত চার বছর মেয়াদে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে:

  • স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবা উন্নয়ন প্রকল্প: ‘হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সার্ভিসেস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেন্দেনিং প্রজেক্ট’ নামের এই প্রকল্পটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়িত হবে। এর মূল লক্ষ্য হলো সারাদেশে, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবায় কিছুটা পিছিয়ে থাকা চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবার মান ও প্রাপ্যতা বৃদ্ধি করা, গ্রামীণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা জোরদার করা এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের কার্যকারিতা উন্নত করা।
  • জলবায়ু সহনশীল প্রজনন স্বাস্থ্য প্রকল্প: ‘ক্লাইমেট রেসপনসিভ রিপ্রোডাকটিভ হেলথ অ্যান্ড পপুলেশন সার্ভিসেস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেন্দেনিং প্রজেক্ট ফর রেজাল্টস’ নামের দ্বিতীয় প্রকল্পটি পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সহনশীল ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন কাঠামো শক্তিশালী করে প্রজনন স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সেবার গুণগত সম্প্রসারণ, মাঠপর্যায়ে দক্ষতা এবং সমতা বৃদ্ধি করা।

সর্বশেষ - অপরাধ