রবিবার , ২৪ মে ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

রামিসা হত্যা মামলা: আজই আদালতে দম্পতির বিরুদ্ধে চার্জশিট

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
মে ২৪, ২০২৬ ৬:০৮ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির অবুজ শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে গলা কেটে ও মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলায় প্রধান আসামি ঘাতক সোহেল রানা ও তার সহযোগী স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আজ রবিবার (২৪ মে) দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করতে যাচ্ছে পুলিশ। আজ সকালে মামলার প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভুঁইয়া নিপুন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, গতকাল শনিবার (২৩ মে) সিআইডির ফরেনসিক ল্যাব থেকে পজিটিভ ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট, ভিসেরা ও ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর দাপ্তরিক সব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে এবং আজ দুপুরের মধ্যেই এই ঘাতক দম্পতির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত ১৯ মে (মঙ্গলবার) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, যার পরপরই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্নাকো আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ওই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মূল ঘাতক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে। এই বর্বরোচিত ঘটনায় গত বুধবার নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে গত ২০ মে (বুধবার) আদালতে দেওয়া এক লোমহর্ষক ও শিউরে ওঠার মতো স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ঘাতক সোহেল রানা নিজের অপরাধের সমস্ত বিবরণ প্রকাশ করে। জবানবন্দিতে সে জানায়, ঘটনার আগে সে তীব্র মাত্রায় ইয়াবা সেবন করেছিল এবং পূর্ব শত্রুতা না থাকা সত্ত্বেও গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে শিশুটিকে তাদের রুমের ভেতরে ডেকে নিয়ে যান। এরপর সোহেল শিশুটিকে বাথরুমে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করলে রামিসা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে এবং ঠিক ওই মুহূর্তে বাইরে থেকে রামিসার মা খোঁজাখুঁজি করতে করতে দরজায় কড়া নাড়তে থাকলে ধরা পড়ার ভয়ে সোহেল ধারালো ছুরি দিয়ে রামিসাকে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে সে অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় রামিসার মাথা কেটে দেহ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে বাথরুমের একটি বালতিতে লুকিয়ে রাখে এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে খণ্ডিত দেহটি শয়নকক্ষের খাটের নিচে ঢুকিয়ে রাখে। জবানবন্দিতে সোহেল স্পষ্ট স্বীকার করেছে যে, এই পুরো পৈশাচিক ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের সময় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার একই রুমে উপস্থিত থেকে তাকে সরাসরি সহযোগিতা করেছিল এবং লাশ কাটার পর সোহেল নিজে জানালার লোহার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায়। সিআইডির অকাট্য ডিএনএ রিপোর্ট এবং আসামির এই চাক্ষুষ জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে মাত্র ৫ দিনের মাথায় পুলিশ এই দৃষ্টান্তমূলক চার্জশিট দাখিল করছে, যার মাধ্যমে খুনিদের দ্রুততম সময়ে ফাঁসি নিশ্চিত হবে বলে আশা করছে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত