পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ শনিবার (২১ মার্চ ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ১৮ বছর পর দেশে এটিই তাঁর প্রথম ঈদ উদযাপন, যা ঘিরে উৎসবের আমেজ ছিল লক্ষ্য করার মতো। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পাশে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমানকেও অতিথিদের স্বাগত জানাতে দেখা গেছে।
শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের হাইলাইটস:
- কূটনৈতিক ও বিশিষ্টজনদের মিলনমেলা: অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর তিনি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, ওলামা-মাশায়েখ এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।
- জনস্রোত ও নিরাপত্তা: প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে এবং শুভেচ্ছা জানাতে ভোর থেকেই যমুনা অভিমুখে হাজারো মানুষের ঢল নামে। সকাল সাড়ে ৮টায় জনসাধারণের জন্য প্রবেশপথ উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে ভিড় ক্রমশ বাড়তে থাকে, যা একপর্যায়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। পুরো এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন ছিল।
- পরবর্তী কর্মসূচি: যমুনার অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী সপরিবারে শেরেবাংলা নগরে যাবেন। সেখানে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর তিনি তাঁর গুলশানের বাসভবনে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে আবারও ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এর আগে সকালে তিনি জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন।



















