ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি আলী লারিজানি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ এক লক্ষ্যভেদী হামলায় নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৮ মার্চ ২০২৬) ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এবং দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। গত মঙ্গলবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছিল যে, তারা একটি সুনির্দিষ্ট অভিযানের মাধ্যমে লারিজানিকে হত্যা করেছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে লারিজানি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এবং পশ্চিমাদের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনার প্রধান হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রতিশোধের অঙ্গীকার ও বর্তমান পরিস্থিতি:
- ইরানের প্রতিক্রিয়া: লারিজানি নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি। এক কড়া বার্তায় তিনি এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করে বলেছেন, ইরানের পাল্টা জবাব হবে অত্যন্ত ‘চূড়ান্ত ও অনুশোচনাযোগ্য’।
- শেষ উপস্থিতি: লারিজানিকে সবশেষ গত শুক্রবার তেহরানে আল-কুদস দিবসের সমাবেশে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল।
- শোক ও সম্মান: ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে তাকে ‘ইসলামি বিপ্লবের উন্নতির জন্য আজীবন সংগ্রামী’ হিসেবে অভিহিত করে বলা হয়েছে যে, তিনি দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি এই পাল্টাপাল্টি হামলা এবং লারিজানির মতো শীর্ষ নেতার মৃত্যু ওই অঞ্চলে একটি ভয়াবহ যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল বর্তমানে তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে।
সূত্র: আল জাজিরা



















